আগামী ১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টনেই বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সামনে ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ হবে বলে জানিয়েছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন। ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ সফলের লক্ষ্যে বিএনপির প্রচার উপকমিটির উদ্যোগে এ মতবিনিময় সভা হয়।

রিজভী বলেন, দেশের গণমাধ্যম নানাভাবেই চাপে পড়ে। আমাদের সমাবেশ নিয়ে গণমাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন হবে বলেই আমাদের প্রত্যাশা। সরকার বিএনপির সমাবেশের অনুমতি নিয়ে তাণ্ডব চালাচ্ছে। কখনও অনুমতি দেয়, কখনও দেয় না। অনেক সময় অনুমতি দিলেও শারীরিক আক্রমণ করছে। ২২ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত আট জন নেতা মারা গেছেন। সর্বশেষ আমাদের সাবেক এমপি মারা গেছেন। শেখ হাসিনার আক্রমণ থেকে জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে কেউ বাদ যায়নি।

তিনি বলেন, আমাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। বাধা-বিপত্তি দিলেও কর্মসূচি থাকবে। সমাবেশ ঘিরে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। পরিবহন ধর্মঘট ডাকে। যেই বিএনপির সমাবেশ শেষ তাদের ধর্মঘটও শেষ।

বিএনপির সিনিয়র এ নেতা বলেন, ঢাকার সমাবেশ নিয়ে এখনও আমাদেরকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। গণমাধ্যমে জানতে পারছি, সরকার অন্য জায়গায় অনুমতি দিতে চায়। আমাদের সিদ্ধান্ত হচ্ছে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনেই সমাবেশ হবে। এখানে অতীতেও আমরা অনেকগুলো বড় সমাবেশ করেছি। সুতরাং এখানে সমাবেশের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসন জানে কীভাবে নয়াপল্টনে সমাবেশ হয়। কেননা, সভা হচ্ছে আমাদের। সুন্দর ও সুশৃঙ্খল করার দায়িত্ব তো আমাদেরই।

ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ বলেন, আমাদের দাবি-দাওয়া মেনে নিলে তো সমাবেশ করা লাগবে না। সরকার দাবিগুলো মানলেই হলো। আমরা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে চাই। তবে যেখানেই বাধা আসবে সেখানে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। নয়াপল্টনেই আমরা দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে সমাবেশ শেষ করব। কারণ সবদিক বিবেচনায় নয়াপল্টন অপেক্ষাকৃত নিরাপদ। সরকার বাধা দিলে বুঝতে হবে তাদের দুরভিসন্ধি রয়েছে।

এসময় আরও উপস্থিতি ছিলেন গণসমাবেশ সফলের লক্ষ্যে গঠিত প্রচার উপকমিটির আহ্বায়ক মীর সরফত আলী সপু, সদস্য সচিব প্রকৌশলী আশরাফ উদ্দিন বকুল প্রমুখ।

এএইচআর/এসএসএইচ/