ক্লাবে যতটা উজ্জ্বল, জাতীয় দলে ঠিক ততটাই বিবর্ণ। একটা সময় পর্যন্ত ফুটবলে এই কথা প্রযোজ্য ছিল আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসির জন্য। বার্সেলোনার হয়ে সবকিছু জয় করে নেওয়া মেসি লম্বা সময় পর্যন্ত আলবিসেলেস্তেদের হয়ে ছিলেন ব্যর্থ। তবে মেসি সেই ব্যর্থতার অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছেন। এবার তাতে নাম লিখিয়েছেন আর্লিং হালান্ড। 

নিজের ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে মুড়ি-মুড়কির মতো গোল করেছেন আর্লিং হালান্ড। পেয়েছেন বড় সব সাফল্য। সিটিজেন্সদের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, এফএ কাপ আর লিগ শিরোপার ট্রেবল পূরণ করেছেন হালান্ড। পেয়েছেন উয়েফার বর্ষসেরার খেতাব। 

হালান্ড-ওডেগার্ড জুটি আবার ব্যর্থ জাতীয় দলে

কিন্তু সেই হালান্ডই কিনা জাতীয় দলের লাল জার্সিতে একেবারেই অচেনা। নিজ দেশ নরওয়েকে আরও একবার ফুটবলের বড় আসর ইউরোতে নিতে ব্যর্থ হয়েছেন হালান্ড। চলতি সপ্তাহে স্কটল্যান্ডের সঙ্গে ৩-৩ গোলের ড্রতে নিশ্চিত হয়েছে আগামী বছর জার্মানিতে অনুষ্ঠিতব্য এই মর্যাদার আসরে থাকছে না স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশটি। 

নরওয়ের সরাসরি ইউরোতে অংশ নেওয়ার আশা মিলিয়ে গিয়েছিল বেশ আগেই। গত অক্টোবরের ১৫ তারিখ স্পেনের বিপক্ষে হারের পর নিশ্চিত হয়ে যায় সরাসরি ইউরোর টিকিট পাচ্ছেন না আর্লিং হালান্ড-মার্টিন ওডেগার্ডরা। তবে স্বপ্ন ছিল প্লে-অফের। স্কটল্যান্ডের সঙ্গে ড্রয়ের পর সেই সুযোগটাও হাতছাড়া হলো তাদের।

এই নিয়ে টানা তিনবার নিজের দেশকে বড় আসরে টেনে নিতে ব্যর্থ হয়েছেন হালের সেনসেশন হালান্ড। ইউরো ২০২১ সালের আসরে দেখা যায়নি নরওয়ে। ছিল না কাতারে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপেও। এবার ২০২৪ সালের ইউরোতেও নেই হালান্ড। ঠিক কবে জাতীয় দলে নিজের সেরাটা দেখাবেন হালান্ড, সেটাই এখন প্রশ্ন। 

জেএ