লন্ডনে জমকালো আয়োজনে হয়ে গেল দ্য বেস্ট ফিফা ফুটবল অ্যাওয়ার্ড। যেখানে ম্যানচেস্টার সিটির নরওয়েজিয়ান তারকা আর্লিং হালান্ডকে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে পেছনে ফেলে বর্ষসেরা ফুটবলার হয়েছেন ইন্টার মায়ামির আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। একইসঙ্গে ২০২৩ সালের সেরা ১১ ফুটবলারের নামও ঘোষণা করা হয়েছে। ছেলেদের ফিফা ফিফপ্রো’র এই বিশ্ব একাদশে রেকর্ড ১৭তম বার জায়গা করে নিয়েছেন মেসি। ২০০৭ সাল থেকে তিনি টানা এই একাদশে স্থান পেয়ে আসছেন।

বর্ষসেরা একাদশে সবচেয়ে বেশি রয়েছে ম্যানচেস্টার সিটির ৬ ফুটবলারের নাম। তারা হচ্ছেন– কাইল ওয়াকার, জন স্টোন্স, রুবেন দিয়াজ, বার্নার্দো সিলভা, কেভিন ডি ব্রুইনা ও আর্লিং হালান্ড। ২০০৫ সাল থেকে ফিফা ফিফপ্রো পেশাদার ফুটবলারদের নিজেদের সেরা বিশ্ব একাদশে বেছে নেওয়ার এই সুযোগ করে দিয়েছে। এটাই একমাত্র ফুটবলারদের ভোটে বাছাইকৃত বিশ্ব একাদশ, যাদের পুরস্কৃত করা হয়।

ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত এবারের ‘ফিফা দ্য বেস্ট’ অনুষ্ঠানে ২২ হাজার পেশাদার পুরুষ ফুটবলার ভোট দিয়েছেন। এবারের বিশ্ব একাদশে প্রথমবারের মতো নাম লেখানোর গৌরব অর্জন করেছেন কাইল ওয়াকার, বার্নার্দো সিলভা, জন স্টোন্স, জ্যুড বেলিংহ্যাম ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

২০২৩ ফিফা ফিপ্রো মেন্স বিশ্ব একাদশে আছেন যারা—

গোলরক্ষক : থিবো কোর্তোয়া (রিয়াল মাদ্রিদ, বেলজিয়াম)
ডিফেন্ডার : রুবেন দিয়াজ (ম্যানচেস্টার সিটি, পর্তুগাল); জন স্টোন্স (ম্যানচেস্টার সিটি, ইংল্যান্ড) ও কাইল ওয়াকার (ম্যানচেস্টার সিটি, ইংল্যান্ড)
মিডফিল্ডার : জ্যুড বেলিংহ্যাম (বরুসিয়া ডর্টমুন্ড/রিয়াল মাদ্রিদ, ইংল্যান্ড); কেভিন ডি ব্রুইনা (ম্যানচেস্টার সিটি, বেলজিয়াম) ও বার্নার্দো সিলভা (ম্যানচেস্টার সিটি, পর্তুগাল)
ফরোয়ার্ড : আর্লিং হালান্ড (ম্যানচেস্টার সিটি, নরওয়ে); কিলিয়ান এমবাপে (পিএসজি, ফ্রান্স); লিওনেল মেসি (পিএসজি/ইন্টার মায়ামি, আর্জেন্টিনা) ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (রিয়াল মাদ্রিদ, ব্রাজিল)

যেভাবে বাছাই করা হয়েছে ফিফপ্রো একাদশ : 

এবারের বিশ্ব একাদশ বাছাই করা হয়েছে ৬৯টি দেশের পেশাদার ফুটবলারদের মধ্য থেকে। ফিফপ্রো এবং ফিফার সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর দেওয়া ডিজিটাল ভোটিং প্ল্যাটফর্মে এই ভোট নেওয়া হয়। যেখানে ফুটবলারদের পারফরম্যান্স বিবেচনায় নেওয়া হয় ২০২২–এর ১৯ ডিসেম্বর থেকে ২০২৩–এর ২০ আগস্ট পর্যন্ত। যেখানে এসব খেলোয়াড়দের ন্যূনতম ২৩ ম্যাচ খেলতে হবে।

ভোট দেওয়ার সময় ফুটবলাররা নিজেদের চোখে সেরা বিবেচিত হওয়া চার পজিশনে (গোলরক্ষক, ডিফেন্স, মিডফিল্ড ও ফরোয়ার্ড) তিনজন করে খেলোয়াড় বেছে নেওয়ার সুযোগ ছিল। একজন গোলরক্ষক, তিনজন করে ডিফেন্ডার, মিডফিল্ডার ও ফরোয়ার্ড নিয়ে একাদশ গড়তে হয় তাদের। 

এএইচএস