শহীদ মিনারে প্রদীপ জ্বালিয়ে সীতাকুণ্ডের নিহতদের স্মরণ

Dhaka Post Desk

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

০৬ জুন ২০২২, ১১:১৬ পিএম


শহীদ মিনারে প্রদীপ জ্বালিয়ে সীতাকুণ্ডের নিহতদের স্মরণ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী এলাকায় বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নি বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মরণ করেছে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট।

সোমবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রদীপ প্রজ্বলন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন সংগঠনটি।

এ সময় সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের নেতারা অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান। একইসঙ্গে নিহত ও আহতদের পরিবারকে পুনর্বাসনের জন্য সরকার ও সমাজের বিত্তশালীদের এগিয়ে আসতে বলেন।

প্রদীপ প্রজ্বলন অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ও কবিতা পরিষদের সহ-সভাপতি কবি অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ বলেন, মানুষের আয় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লোভও বেড়েছে। যার যে দায়িত্ব সে দায়িত্ব পালন না করে লুটপাটে মত্ত। মানুষের লোভের কারণেই চুরিহাট্টা থেকে সীতাকুণ্ডের অগ্নিকাণ্ড, এত প্রাণহানি। তবে সীতাকুণ্ডের অগ্নিকাণ্ডের পর মানবিকতাও ফুটে উঠেছ। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা লাইন ধরে রক্ত দিচ্ছেন। চিকিৎসকরা দিন-রাত পরিশ্রম করছেন। যার যার অবস্থান থেকে সবাই এগিয়ে এসেছেন।

dhaka post

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস বলেন, দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, কিন্তু সে দুর্ঘটনায় যদি অবহেলা থাকে তাহলে অবহেলাকারীদের দায় নিতে হবে। এ অগ্নিকাণ্ডে যারা নিজের জীবন বিপন্ন করে অন্যের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় আত্মত্যাগ করে জীবন দিয়েছেন, তাদের প্রতি সম্মান জানাই। সীতাকুণ্ডে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নেভাতে গিয়ে নিজেরাই জীবন দিয়েছেন। পুলিশ দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বিস্ফোরণে পা হারিয়েছেন। রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করতে তাদের যে দায়িত্ববোধ, এর প্রতি সম্মান জানাই।

তিনি বলেন, এ দুর্ঘটনার জন্য কে বা কারা দায়ী তাদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। নিহত ও আহত পরিবারের পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিতে হবে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শত শত মানুষ দগ্ধ। কিন্তু সেখানে চিকিৎসার জন্য ছোট্ট বার্ন ইউনিট ছাড়া বড় কোনো হাসপাতাল নেই। দেশ অনেক এগিয়েছে। এখন প্রতিটি বিভাগীয় শহরে বার্ন ইনস্টিটিউটসহ পঙ্গু হাসপাতালের মতো বিশেষায়িত হাসপাতাল করতে হবে।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আবৃত্তি শিল্পী মীর বরকত, পথ নাটক সমিতির মিজানুর, সাধারণ সম্পাদক আহমেদ গিয়াস, গণসংগীত পরিষদের সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মানজার চৌধুরী সুইট, গ্রুপ থিয়েটারের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক চন্দন রেজা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এইচআর/এমএইচএস

টাইমলাইন

Link copied