‘ফ্যামিলি কার্ডে মিলবে বিনা সুদে ঋণ’

ফ্যামিলি কার্ড প্রদর্শন করলে নারীরা বিনা সুদে ঋণ পাবেন, এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা ও অঙ্গীকার তুলে ধরে তিনি জানান, নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির মাধ্যমে কুটির শিল্প, হাঁস–মুরগি পালন অথবা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার জন্য ব্যাংক থেকে বিনা সুদে ঋণ পাওয়া যাবে। তার দাবি, এই প্রক্রিয়ায় কোনো দালাল বা অতিরিক্ত খরচের প্রয়োজন হবে না।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের মানিককাঠী এলাকায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি বলেন, ২০১৮ সালের মতো এবার ভোটকেন্দ্রে সহিংসতা বা ভোট ছিনতাইয়ের ঝুঁকি নেই। জনগণ আরও সচেতন হয়েছে, তাই ভোটাধিকার সুরক্ষিত থাকবে।
শিক্ষা বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিতে গিয়ে জয়নুল আবেদীন বলেন, ধানের শীষে ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করলে এবং বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে স্থানীয় এলাকার সব বোনদের শিক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্র নেবে। তারা যেই স্তর পর্যন্ত পড়তে চাইবে, সেই পর্যায়ের ব্যয় সরকার বহন করবে। এমন পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।
তিনি আরও জানান, কৃষকদের সহায়তায় বিএনপি ‘কৃষি কার্ড’ ব্যবস্থা প্রস্তাব করেছে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা বিনামূল্যে সার, বীজ ও প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ পাবেন। বর্তমানে এসব উপকরণ নিতে কৃষি অফিসে ঘুষ বা দালালির অভিযোগ থাকলেও নতুন কার্ডভিত্তিক ব্যবস্থায় এসব অনিয়ম কমে আসবে বলে তিনি মনে করেন।
তিনি বলেন, তারেক রহমান দেশের কৃষক ও নারীদের কথা বিবেচনা করে কার্ডভিত্তিক এসব সেবা প্রস্তাব করেছেন। এতে দুর্নীতি কমবে, সুবিধাভোগীরা সরাসরি উপকৃত হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হবে।
জয়নুল আবেদীনের এসব প্রতিশ্রুতি ঘিরে ভোটারদের মাঝে ব্যাপক আলোচনা চলছে। এসময় নির্বাচনী সভায় উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ১নং সহ সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুল আসাদ, জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আহম্মেদ খান, সদস্য সচিব ওয়াহিদুল ইসলাম প্রিন্স, জেলা বিএনপির সদস্য ইশরত হোসেন কচি তালুকদারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
এমএএস