গাইবান্ধার ছয়টি উপজেলার ২২টি ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি ফিলিং স্টেশনে একজনকে করে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (৩০ মার্চ) বিষয়টি সন্ধ্যায় নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা।
২২ জন ট্যাগের অফিসারের মধ্যে গাইবান্ধা সদরের ৪টি পাম্পে চারজন, সুন্দরগঞ্জে পাঁচজন, গোবিন্দগঞ্জে ছয়জন, পলাশবাড়ী তিনজন, সাদুল্লাপুরে একজন ও সাঘাটার তিনটি পাম্পে তিনজন দায়িত্বপালন করবেন।
এসব ট্যাগ অফিসাররা জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর, যুব উন্নয়ন, পল্লী উন্নয়ন, কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, সমাজসেবা অধিদপ্তর ও এলজিইডিসহ ৯টি দপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের ২২ কর্মকর্তা।
বিজ্ঞাপন
যারা প্রতিদিন ফিলিং স্টেশনের প্রারম্ভিক মজুত রেকর্ডভুক্ত, ডিপো থেকে সরবরাহ করা জ্বালানি তেল সরাসরি উপস্থিত থেকে পরিমাপ করে গ্রহণ, পে-অর্ডার, ডিপোর চালান বা রিসিটের সঙ্গে সরবরাহ করা তেলের পরিমাণ মিলিয়ে দেখার পাশাপাশি ডিপ-রড বা ডিপ-স্টিকের মাধ্যমে বাস্তব মজুত যাচাই করাসহ বিভিন্ন দায়িত্বপালন করবেন।
এদিকে সংকটের শুরু থেকেই চরম ভোগান্তিতে পড়ে গাইবান্ধার বাইক চালকরা। দিনের পর দিন তা বাড়তে থাকে। শুরুর দিকে প্রশাসনের সরকারি নিয়ম মেনে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা এবং পরে ১০০ টাকার তেল দেয় পাম্প মালিকরা। এতে পাম্প মালিকদের সঙ্গে গ্রাহকদের অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটে। পরে পাম্প মালিকদের দাবির প্রেক্ষিতে পুলিশি সহায়তায় তেল দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসক মাসুদুর রহমান মোল্লা জানান, গাইবান্ধার সাত উপজেলার মধ্যে ছয়টি উপজেলার ২২ পাম্পে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ডিজেল, অকটেন ও পেট্রোল নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রত্যেকটি পাম্পে একজন করে ট্যাগ অফিসার হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা পাম্পগুলোতে তেলের মজুত, সরবরাহ ব্যবস্থা ও বিক্রয় কার্যক্রমসহ জবাবদিহিতামূলক বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করবেন।
বিজ্ঞাপন
মাসুম বিল্লাহ/এমএন
