পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় ইমরান হোসেন সোহাগ (২৭) নামের এক ছাত্রদল নেতাকে গুলি করে ও এলাপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত ১০ টার দিকে ঈশ্বরদী পৌর এলাকার সাঁড়া গোপালপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
বিজ্ঞাপন
নিহত ইমরান হোসেন সোহাগ সাঁড়া গোপালপুর এলাকার ইমানুল প্রামানিকের ছেলে। তিনি ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রদলের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব এবং জিয়া সাইবার ফোর্সের ঈশ্বরদী উপজেলা সদস্য সচিব ছিলেন। সোহাগ পাবনা-৪ আসনের স্বতন্ত্র (বিএনপির বিদ্রোহী) প্রার্থী জাকারিয়া পিন্টুর সক্রিয় সমর্থক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় ছাত্রদল সদস্য ইমরান হোসেন সোহাগ তার বন্ধুদের নিয়ে সাঁড়া গোপালপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের রেললাইনের পাশে চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় পূর্ববিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা মুখে কালো কাপর বেঁঁধে এসে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনার সময় কয়েকটি গুলির শব্দও শোনা গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সোহাগ এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একজন বাসিন্দা জানান, গুলি ও আঘাতের কারণে সোহাগের মাথার মগজ বের হয়ে গিয়েছিল।
বিজ্ঞাপন
ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তার মাথার একটি অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে গুলি অথবা কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। কারা কি কারণে তাকে হত্যা করেছে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
রাকিব হাসনাত/এসএমডব্লিউ
