ফিউচার লিডারদের নিয়ে পাঠাওয়ের ‘AIM’ ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম ২০২৬

স্বপ্ন যখন বড় কিছু করার, তখন প্রয়োজন সঠিক একটি প্ল্যাটফর্ম। তরুণ মেধাবীদের সেই সুযোগ করে দিতেই আবারও শুরু হলো পাঠাওয়ের ফ্ল্যাগশিপ ইন্টার্নশিপ উদ্যোগ ‘AIM’।
জানুয়ারি মাসের শুরুতে পাঠাওয়ের প্রধান কার্যালয়ে জমকালো অরিয়েন্টেশন সেশনের মাধ্যমে নতুন ব্যাচকে বরণ করে নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমেই শুরু হলো ‘AIM ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম ২০২৬’ এর নতুন এক যাত্রা।
২০২২ সালে যাত্রা শুরু করা 'AIM' বর্তমানে দেশের তরুণদের কাছে অন্যতম কাঙ্ক্ষিত একটি প্রোগ্রাম। ‘AIM’ শব্দটির পূর্ণরূপ হলো— সমস্যা অনুমান করা, সমাধানের ধারণা তৈরি করা এবং সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত ব্যবস্থাপনা করা। পাঠাওয়ের কর্মীরা যেভাবে প্রতিদিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেন, সেই একই অভিজ্ঞতা ইন্টার্নদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতেই এই ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করা হয়েছে। এখানে কেবল তাত্ত্বিক শিক্ষা নয়, বরং রিয়েল-লাইফ প্রজেক্টে সরাসরি কাজ করার সুযোগ দিয়ে তরুণদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি ও পেশাদার ভিত্তি শক্ত করাই এই প্রোগ্রামের মূল লক্ষ্য।
যারা কেবল পাঠ্যবইয়ে সীমাবদ্ধ না থেকে ক্যারিয়ারে দ্রুত এগিয়ে যেতে চান, তাদের জন্যই সাজানো হয়েছে এই প্রোগ্রামটি। অভিজ্ঞ মেন্টরদের তত্ত্বাবধানে কাজ করার মাধ্যমে ইন্টার্নরা এখানে নিজেদের দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ পান।
এ বছরের আয়োজনে সারা দেশ থেকে অভাবনীয় সাড়া পাওয়া গিয়েছে। প্রায় ৪,০০০ আবেদনকারীর মধ্য থেকে প্রাথমিক রাউন্ড শেষে ৩৫০ জনকে সাক্ষাৎকারের জন্য বাছাই করা হয়। সবশেষে কঠোর নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেরা ১৫ জন প্রতিভাবান তরুণ এ বছরের 'AIMer' হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এবারের ইন্টার্নরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি এবং রুয়েটসহ দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এসেছেন।
অরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে পাঠাও-এর এইচআর প্রধান এইচ. এ. সুইটি নবীনদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, পাঠাও পরিবারে তোমাদের স্বাগতম! তোমাদের নতুন আইডিয়া আর প্রাণশক্তি আমাদের টিমগুলোকে আরও সমৃদ্ধ করবে। আমি বিশ্বাস করি, তোমাদের শেখার আগ্রহ আর কৌতূহল তোমাদের অনেক দূর নিয়ে যাবে। এই পথচলা যেমন চ্যালেঞ্জিং হবে, তেমনি হবে আনন্দময়। মনে রাখবে, যেকোনো প্রয়োজনে আমরা সবসময় তোমাদের পাশে আছি। তোমাদের জন্য অনেক শুভকামনা!
নতুন এই 'AIMer'-দের অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে পাঠাও আরও একবার প্রমাণ করলো যে, তরুণ মেধার সঠিক পরিচর্যাই পারে ভবিষ্যতের ইন্ডাস্ট্রি লিডার তৈরি করতে। এই ১৫ জন তরুণের পেশাদার জীবনের নতুন অধ্যায় সফল হোক—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।
এমএন