সোমবার থেকে ঈদ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি ঘোষণা

বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে দেশের সব পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। সোমবার (৯ মার্চ) থেকে পবিত্র ঈদুল ফিতর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এই ছুটি কার্যকর থাকবে। একইসঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে মিতব্যয়ী হতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য ১১ দফা বিশেষ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
রোববার (৮ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গত ৫ মার্চের এক নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
সে অনুযায়ী প্রজ্ঞাপনে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি পরিহার এবং জানালা-দরজা খোলা রেখে আলো ব্যবহার নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। বিদ্যুতের অপচয় রোধে বিদ্যমান বাতির অর্ধেক ব্যবহারের পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় লাইট, ফ্যান ও এয়ার কন্ডিশনার বন্ধ রাখার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার উপরে রাখার কথা বলা হয়েছে।
এছাড়া অফিস কক্ষ ত্যাগের সময় এবং অফিস সময় শেষে কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানারসহ সব ধরনের ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখা নিশ্চিত করতে হবে। অফিসের করিডোর, সিঁড়ি বা ওয়াশরুমে কোনো অপ্রয়োজনীয় বাতি জ্বালানো যাবে না এবং সকল প্রকার আলোকসজ্জা পরিহার করতে হবে। একইসঙ্গে জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে গাড়ির ব্যবহার সীমিত করার নির্দেশনাও দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. সুলতান আহমেদের সই করা এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) এবং বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতেও অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আরএইচটি/জেডএস