শিক্ষকদের ‘বদলি সফটওয়্যার’ পরীক্ষা, ইতিবাচক আলোচনা মন্ত্রণালয়ে

দেশের বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম চালুর লক্ষ্যে তৈরি সফটওয়্যার নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
আজকের (সোমবার) বৈঠকে সফটওয়্যারটির ডেমো উপস্থাপন ও কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হলেও এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এ নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।
জানা গেছে, আজ বেলা ১১টা থেকে দুপুর পৌনে ১টা পর্যন্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সফটওয়্যারটির ডেমো উপস্থাপন করা হয়। এতে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সফটওয়্যারটি তৈরি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ও টেলিটক। এর আগে সফটওয়্যারটির ট্রায়াল দেওয়া হয়েছে এবং পরীক্ষামূলক ব্যবহারে এর কার্যক্রম সন্তোষজনক বলেই প্রাথমিকভাবে মনে করা হয়েছে। বৈঠকে সফটওয়্যারটির বিভিন্ন দিক উপস্থাপন ও পর্যালোচনা করা হয়।
বিজ্ঞাপন
তবে বৈঠক শেষে সফটওয়্যারটি চূড়ান্ত অনুমোদনের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে আরও কিছু কারিগরি বিষয় পর্যালোচনা করা হবে।
জানা গেছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকদের আগে সরাসরি বদলির কোনো সুযোগ ছিল না। তারা মূলত এনটিআরসিএর প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করে প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের সুযোগ পেতেন। প্রথম থেকে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি পর্যন্ত ইনডেক্সধারী শিক্ষকরা এ সুযোগ পেলেও চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সেই সুযোগ বন্ধ করে দেয়।
এরপর শিক্ষকদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে বদলি চালুর উদ্যোগ নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে একটি বদলি নীতিমালাও প্রণয়ন করা হয়। তবে শিক্ষকদের একাংশের করা রিট, সফটওয়্যার প্রস্তুত না হওয়া এবং নীতিমালার সংশোধনসহ বিভিন্ন কারণে এখনো পর্যন্ত বদলি কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি।
বিজ্ঞাপন
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সফটওয়্যারটি চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত বদলি কার্যক্রম চালুর পথ সুগম হবে।
আরএইচটি/এনএফ