রাজধানীর মিরপুরের মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে এনসিটিবি অনুমোদিত বইয়ের বাইরে অননুমোদিত বিভিন্ন প্রকাশনীর বই পাঠ্য করা এবং তা কিনতে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষকের (ভারপ্রাপ্ত) কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
বিজ্ঞাপন
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিভাবকদের পক্ষে একলিমুর রেজা কোরাইস গত ৮ মার্চ লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগে বলা হয়, বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের স্বাক্ষরযুক্ত একটি তালিকার মাধ্যমে এনসিটিবি বহির্ভূত বই নির্ধারণ করা হয় এবং তা ক্রয়ে অভিভাবকদের বাধ্য করা হয়।
মাউশি সূত্রে জানা গেছে, বিষয়টি প্রাথমিকভাবে সত্য বলে প্রতীয়মান হওয়ায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ব্যক্তিগত আর্থিক লাভের উদ্দেশ্যে অননুমোদিত বই পাঠ্য করা এবং অভিভাবকদের তা কিনতে বাধ্য করা এনসিটিবি আইন-২০১৮ এর ১৬(১) ধারা এবং এমপিও নীতিমালা-২০১৫ এর ১৮.১ (খ) ধারার স্পষ্ট লঙ্ঘন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা কমিটির সভাপতির পদ শূন্য ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রধান শিক্ষকের (ভারপ্রাপ্ত) বিরুদ্ধে এমপিও নীতিমালা-২০২৫ এর ১৮.১ (খ) ধারা অনুযায়ী কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—সে বিষয়ে তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর বি এম আব্দুল হান্নানের সই করা এক আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না পাওয়া গেলে পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরএইচটি/এসএম
