২০২৫-২৬ অর্থবছরের জানুয়ারি থেকে জুন কিস্তির উপবৃত্তি দিতে অনুদানভুক্ত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের তথ্য হালনাগাদ ও নতুন তথ্য এন্ট্রির কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তিতে আগামী ২৩ এপ্রিলের মধ্যে মাদ্রাসা প্রধানদের এই কার্যক্রম সম্পন্ন করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারদের কাছে পাঠাতে বলা হয়েছে।
অধিদপ্তর জানায়, উপবৃত্তি পাওয়ার যোগ্য শিক্ষার্থীদের তথ্য ‘ইইএসপি এমআইএস’ সিস্টেমের লাইভ সার্ভারে (mesp.finance.gov.bd) প্রবেশ করে আপডেট করতে হবে। নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠান প্রধানরা ২৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ বিকাল ৫টার মধ্যে আবেদন পাঠাবেন। এরপর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারগণ প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন।
বিজ্ঞাপন
যে নিয়মে করতে হবে তথ্য হালনাগাদ
অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে যেসব শিক্ষার্থী নতুন শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়েছে, যারা একই শ্রেণিতে রয়ে গেছে (পুনরাবৃত্তি) কিংবা যারা প্রাথমিক চক্র শেষ করেছে, সবার তথ্যই হালনাগাদ করতে হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধানরা তাদের ইউজার আইডি ব্যবহার করে সার্ভারে লগইন করার পর ‘শিক্ষার্থীর শ্রেণি হালনাগাদ’ মডিউলে গিয়ে এই কাজ করতে পারবেন। এখানে প্রতিটি শিক্ষার্থীর নামের পাশে ‘ভিউ’ ও ‘এডিট’ বাটন পাওয়া যাবে, যার মাধ্যমে তথ্য দেখা বা পরিবর্তন করা সম্ভব।
তিনটি ড্রপডাউন অপশন
বিজ্ঞাপন
সার্ভারে ক্লাস আপডেট করার সময় তিনটি কারণ বা অপশন দেখা যাবে।
এগুলো হলো, ১. শ্রেণি প্রমোশন, ২. পুনরাবৃত্তি এবং ৩. বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত নেই। যারা প্রমোশন পাবে তারা পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত হবে এবং যারা পুনরাবৃত্তি অপশনে থাকবে তারা একই শ্রেণিতে বহাল থাকবে। তবে কোনো শিক্ষার্থী যদি বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত না থাকে, তাকে ‘নিষ্ক্রিয়’ করতে হবে। ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে প্রমোশনের পরিবর্তে ‘প্রাথমিক চক্রের সমাপ্তি’ অপশনটি সিলেক্ট করতে হবে।
অধিদপ্তরের নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, যেসব শিক্ষার্থীর তথ্য সময়মতো হালনাগাদ করা হবে না, তারা ‘অনিয়মিত’ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং তাদের উপবৃত্তির চাহিদা সিস্টেমে আসবে না। এছাড়া শুধুমাত্র ‘শ্রেণি প্রমোশন’ দেওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্যই পরবর্তী পেমেন্টের চাহিদায় অন্তর্ভুক্ত হবে। যারা পুনরাবৃত্তি বা বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত নেই হিসেবে চিহ্নিত হবে, তারা আপাতত কোনো পেমেন্ট পাবে না। ভুল তথ্য দিলে উপজেলা শিক্ষা অফিসাররা তা সংশোধন বা পুনরায় উপস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসায় ফেরত পাঠাতে পারবেন বলেও জানানো হয়েছে।
আরএইচটি/এমএসএ
