বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগে শূন্যপদের তথ্য জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময় রোববার (১২ এপ্রিল) শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা সর্বোচ্চ তিন দিন পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। আজ দুপুরে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)-এর চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে এতথ্য জানিয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
তিনি জানান, আজ দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত ই-রিকুইজিশনের সময়সীমা নির্ধারিত ছিল। তবে প্রত্যাশার তুলনায় কমসংখ্যক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শূন্যপদের তথ্য জমা দেওয়ায় সময় বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে।
এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান বলেন, সপ্তম নিবন্ধনের তুলনায় নবম ধাপে প্রায় সাড়ে তিন হাজার প্রতিষ্ঠান কম রেজিস্ট্রেশন করেছে। অনেক প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন কারণে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে পারেনি। এ কারণে যারা আগে নিবন্ধন করেছিল কিন্তু এবার পারেনি, তাদের সুযোগ দিতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। সময় আজ রাত ১২টায় সময় শেষ হওয়ার কথা। তবে প্রয়োজন বিবেচনায় সর্বোচ্চ দুই থেকে তিন দিন সময় বাড়ানো হতে পারে। তবে এটি এখনো চূড়ান্ত নয়।
তিনি আরও জানান, টেলিটকের সঙ্গে কথা বলে আগে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য পুনরায় সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে করে সপ্তম ধাপে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন করে সুযোগ পাবে ই-রিকুইজিশন দেওয়ার। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে একবার নিবন্ধন সম্পন্ন হলে তা স্থায়ীভাবে সক্রিয় রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে বারবার নিবন্ধনের প্রয়োজন হবে না, যদি না প্রতিষ্ঠানপ্রধান, সভাপতি বা যোগাযোগের তথ্য পরিবর্তন হয়।
বিজ্ঞাপন
এনটিআরসিএ সূত্রে জানা গেছে, ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের লক্ষ্যে গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ই-রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথমে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হলেও পরে তা বাড়িয়ে ১ মার্চ করা হয়। এরপর ৩১ মার্চ থেকে এমপিওভুক্ত শূন্যপদের তথ্য জমা দেওয়ার জন্য ই-রিকুইজিশন কার্যক্রম শুরু হয়, যা আজ ১২ এপ্রিল পর্যন্ত চলার কথা ছিল।
এ বিষয়ে এনটিআরসিএর পরিচালক (শিক্ষা তত্ত্ব ও শিক্ষামান) তাসনিম জেবিন বিনতে শেখ জানিয়েছেন, প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের নিজস্ব ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে অনলাইনে শূন্যপদের তথ্য জমা দিতে হবে। নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ফরম পূরণের মাধ্যমে এই তথ্য পাঠাতে হবে।
তিনি আরও বলেন, অফলাইন, হার্ডকপি বা ই-মেইলে কোনো ধরনের চাহিদা গ্রহণযোগ্য হবে না। এনটিআরসিএ আইন ২০০৫ অনুযায়ী এমপিওভুক্ত শূন্যপদের ক্ষেত্রে ই-রিকুইজিশন বাধ্যতামূলক।
বিজ্ঞাপন
কোনো প্রতিষ্ঠানপ্রধান এই নিয়ম লঙ্ঘন করলে বা তথ্য গোপন করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিল করার মতো কঠোর পদক্ষেপও নেওয়া হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।
আরএইচটি/জেডএস
