নির্বাচনে অংশ নিতে ৭ দিনের ছুটির দাবিতে ঢাবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সাত দিনের ছুটির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মুহম্মদ শহিদুল্লাহ হল সংসদের কার্যনির্বাহী সদস্য রিয়াদুস সালেহীন। তিনি বলেন, “ভোট দেওয়া সবার গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু আজ ঢাবি প্রশাসন শিক্ষার্থীদেরকে এই গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে।”
তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, দেশে আওয়ামী লীগ নির্বাচনবিমুখী আচরণ করছে। একই ধরনের আচরণ যদি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও করে, তাহলে শিক্ষার্থীরা সেটিকে স্বৈরাচারী আচরণ হিসেবে বিবেচনা করবে।
সালেহীন বলেন, “আমার বাড়ি পঞ্চগড়। যদি আমাদের ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ দেওয়া হয়, তাহলে আমি কি ১১ তারিখ বাড়ি গিয়ে ভোট দিতে পারবো? তখন তো যান চলাচল সীমিত করে দেওয়া হবে।”
এ কারণে তিনি দাবি জানান, শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করতে হবে।
এ সময় হল সংসদের আরেক কার্যনির্বাহী সদস্য আবু নাইম বলেন, “আমরা দীর্ঘ সতেরো বছর পরে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছি। আমরা এতে যারপরনাই উৎফুল্ল। কিন্তু ভোটের সময়কার ছুটি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের সঙ্গে মকারি করছে।”
তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে উত্তরবঙ্গসহ দূরবর্তী এলাকার শিক্ষার্থীদের বাড়ি ফিরতে অনেক সময় লাগে। পাশাপাশি ভোটের সময় ঈদের মতো উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে, যার ফলে ভোটের আগে সড়কে তীব্র যানজট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আবু নাইম বলেন, “৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ছুটি কার্যকর হলে আমরা যথাসময়ে বাড়ি গিয়ে ভোট দিতে পারবো।”
এসময় শিক্ষার্থীরা দ্রুত সাত দিনের ছুটি ঘোষণার দাবি জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং নির্বাচন উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের নির্বিঘ্নে বাড়ি যাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
এসএআর/এসএমডব্লিউ