ইরানের ক্লাস্টার মিসাইল যেভাবে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষাকে চ্যালেঞ্জে ফেলেছে

দখলদার ইসরায়েলর সঙ্গে যুদ্ধের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে ইরান ক্লাস্টার ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহার শুরু করেছে। এই মিসাইল ব্যবহারের একমাত্র লক্ষ্য হলো ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দেওয়া।
বিজ্ঞাপন
অন্যান্য সাধারণ মিসাইলের চেয়ে এ মিসাইল আলাদা। যখন ক্লাস্টার মিসাইল লক্ষবস্তুর কাছাকাছি আসে তখন এটির ভেতর থেকে ছোট ছোট বিস্ফোরক বোঝাই বোমা আকাশের খুব উপরে থাকা অবস্থায় বের হয়ে আসে।
এরপর বোমাগুলো বৃষ্টির মতে নিচে বিস্তৃত এলাকার দিকে ছুটে আসতে থাকে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছে, ইরানের বেশিরভাগ মিসাইল যেখানে ২৪টি বোমা বহন করতে পারে। সেখানে তাদের খোরমানশারহ মিসাইল বহন করতে পারে ৮০টি ক্লাস্টার বোমা।
সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বানানো হয়েছে বড় মিসাইলকে আটকানোর জন্য। ফলে ক্লাস্টার বোমার বিরুদ্ধে এগুলো খুব বেশি কাজ করতে পারে না।
বিজ্ঞাপন
এমনকি যদিও প্রতিরক্ষা মিসাইল ক্লাস্টার মিসাইলে আঘাত হানেও তখন এটি থেকে ছোট বোমাগুলো বেরিয়ে আসে।
ইসরায়েলি আয়রন ডোম এমন ছোট ছোট বোমা আটকাতে পারে। কিন্তু ইরানের ক্লাস্টার বোমাগুলো যেহেত খুবই দ্রুত বেগে আসে এবং এগুলো যেহেতু খুবই ছোট। ফলে আয়রন ডোমও এ বোমাগুলো ধ্বংস করতে হিমশিম খায় বলে জানিয়েছেন মিসাইল বিশেষজ্ঞ টাল ইনবার। তিনি বলেছেন, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মিসাইলকে ফাঁকি দিয়ে টার্গেটে আঘাত হানতেই ইরান কৌশল হিসেবে ক্লাস্টার মিসাইল ব্যবহার করে।
এসব ছোট বোমাও বেশ বিধ্বংসী। কয়েকদিন আগে তেলআবিবে এমন এক বোমার আঘাতে দুজন নির্মাণকর্মী নিহত হন।
বিজ্ঞাপন
ক্লাস্টার বোমার ব্যবহার আন্তর্জাতিভাবে নিষিদ্ধ। কারণ এগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে যে কোনো জায়গায় আঘাত হানতে পারে।
সূত্র: সিএনএন
এমটিআই