যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তুচ্ছ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্র। সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেছেন, সামনে আসছে বিপর্যয়কর, আরও বিস্তৃত ও বিধ্বংসী আঘাত।
বিজ্ঞাপন
আইআরজিসি-সংশ্লিষ্ট ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, এই দুই দেশ তেহরানের সামরিক সক্ষমতা ও সরঞ্জাম সম্পর্কে অসম্পূর্ণ তথ্য রাখে।
তিনি বলেন, ইরানের সামরিক উৎপাদন এমন জায়গায় হয়; যার ব্যাপারে আপনাদের কোনো ধারণাই নেই। ইরানের অস্ত্রভাণ্ডার ব্যাপকভাবে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়েছে বলে ট্রাম্প যে দাবি করেছেন, তা প্রত্যাখ্যান করেছেন ইরানি ওই সেনা কর্মকর্তা।
ওই মুখপাত্র বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে শুরু করা আগ্রাসনের মূল্য দিতে হবে।
বিজ্ঞাপন
• মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক অভিযান বন্ধের আহ্বান চীনের
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, আসন্ন কয়েক সপ্তাহে ইরানে বড়-সড় হামলা চালানো হবে। এরপরই চীন মধ্যপ্রাচ্যে তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেন, সামরিক উপায়ে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয় এবং এই সংঘাতকে আরও বড় করে তোলা কোনো পক্ষের জন্যই ভালো নয়।
বিজ্ঞাপন
এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে দ্রুত সামরিক অভিযান বন্ধ করার আহ্বান জানান।
এদিকে, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখমাত্র জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার পেছনে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অবৈধ সামরিক অভিযানের ভূমিকা রয়েছে।
এসএস
