বিজ্ঞাপন

৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ঢাবির বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা মাহি চৌধুরী ২ দিনের রিমান্ডে

অ+
অ-
ঢাবির বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা মাহি চৌধুরী ২ দিনের রিমান্ডে

ফেসবুকে বিনিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসিন হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য (বহিষ্কৃত) মাহি চৌধুরী অর্ণবকে (২১) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। 

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

এদিন তাকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাফরুল থানার উপ-পরিদর্শক মো. সাজ্জাদ হোসেন পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, এটি একটি সংঘবদ্ধ চক্রের কাজ এবং আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য প্রতারক চক্রের সদস্যদের তথ্য সংগ্রহ, আত্মসাৎকৃত বিপুল পরিমাণ অর্থ কোথায় আছে বা কার মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া এবং মামলার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদতদাতাদের চিহ্নিত করার জন্য আসামির পাঁচ দিনের রিমান্ড প্রয়োজন।

আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন শুনানি করেন। রাষ্ট্র পক্ষ রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন।

বিজ্ঞাপন

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১ জুন থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে ফেসবুকের একটি 'ইনভেস্টর গ্রুপ' এর সূত্র ধরে মাহির সঙ্গে বাদীর বড় ভাই মো. শাকিরুল ইসলাম হিমেলের পরিচয় হয়। মাহি নিজেকে একটি ক্যাটারিং ও এক্সেসরিজ ব্যবসার অংশীদার দাবি করে হিমেলকে বিনিয়োগে উৎসাহিত করেন। তার কথায় বিশ্বাস করে হিমেল বিভিন্ন সময়ে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও নগদে মোট ৩৮ লাখ ২৮ হাজার ১৫০ টাকা প্রদান করেন। কিন্তু লভ্যাংশ বা মূল টাকা ফেরত না দিয়ে মাহি আত্মগোপন করেন। 

গত ৪ এপ্রিল ভুক্তভোগীরা টাকা ফেরত চাইতে গেলে আসামিরা তাদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেয়। 

ওই ঘটনায় বাদী মো. সামসুল হক তুষার (২৬) গত ৫ এপ্রিল কাফরুল থানায় মামলাটি করেন। মামলায় মাহি চৌধুরী এবং তার বাবা নাজমুল করিম চৌধুরীসহ তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এনআর/জেডএস

বিজ্ঞাপন