চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর মামলায় চলছে তৃতীয় দিনের যুক্তিতর্ক।
বিজ্ঞাপন
রোববার (১২ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ যুক্তিতর্ক শুরু হয়। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
তৃতীয় দিনের মতো ট্রাইব্যুনালে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করছেন ইনুর আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী ও সিফাত মাহমুদ শুভ। তারা এ মামলায় প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগের বিরুদ্ধে বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরার চেষ্টা করছেন। একইসঙ্গে সুপিরিয়র কমান্ডিংয়ের পর্যায়ে হাসানুল হক ইনু পড়েন না বলেও ট্রাইব্যুনালকে জানান তারা। সবমিলিয়ে নিজের মক্কেলকে বাঁচাতে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন ইনুর আইনজীবীরা।
গত ৬ এপ্রিল দ্বিতীয় দিনের যুক্তিতর্ক শেষ হয়। ওই দিন ২০২৪ সালের ১৮ জুলাইয়ে ‘মিরর নাউ’ নামে ভারতীয় একটি টেলিভিশনে দেওয়া ইনুর সাক্ষাৎকারটি ট্রাইব্যুনালে দেখান মুনসুরুল হক চৌধুরী। আওয়ামী লীগ সরকারের অংশ হিসেবে ওই সাক্ষাৎকারে কোনো কথা বলেননি বলে জানান তিনি। এছাড়া শিক্ষার্থীদের আক্রমণ করেও কোনো কথা বলা হয়নি।
বিজ্ঞাপন
পরে আসামিপক্ষের আইনজীবীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তিতর্কের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল। গত ২ এপ্রিল মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলার পুনঃতদন্ত চেয়ে আবেদন করেন হাসানুল হক ইনু। তবে আবেদনটি খারিজ করে দেন আদালত। পরে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু করেন তার আইনজীবীরা।
এর আগে, ১০ মার্চ সাফাই সাক্ষ্য হিসেবে প্রায় ৬৪ পৃষ্ঠার একটি লিখিত ব্যাখ্যা জমা দেন হাসানুল হক ইনু। নিজের আইনজীবীর মাধ্যমে এ বক্তব্য দাখিল করেন তিনি। তবে মৌখিক সাক্ষ্যের সুযোগ দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তুলেছিলেন এই আইনজীবী।
এমআরআর/জেডএস
