করোনায় আক্রান্ত হলে কখন হাসপাতালে যাবেন?

Dhaka Post Desk

লাইফস্টাইল ডেস্ক

১৮ এপ্রিল ২০২১, ১২:০৬ পিএম


করোনায় আক্রান্ত হলে কখন হাসপাতালে যাবেন?

বিশ্বব্যাপী করোনার সংক্রমণ ক্রমশ বাড়ছে। দেখা দিচ্ছে নতুন উপসর্গ। এসব উপসর্গ দেখা দিলে সরাসরি হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। হাঁচি-কাশি, বুক ব্যথা, খাবারে অরুচি ও গন্ধহীনতা ছাড়াও করোনাভাইরাসের একাধিক জটিল উপসর্গ রয়েছে। যেগুলো কারও মধ্যে দেখা দিলে তার করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।

করোনার এসব জটিল উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার কথা বলছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। সঠিক সময়ে রোগীকে হাসপাতালে না নেওয়া হলে করোনাভাইরাস জটিল আকার ধারণ করবে। 

সার্স-কোভ-২ এর উপসর্গ খুব দ্রুত মাঝারি থেকে খারাপ অবস্থায় চলে যেতে পারে। করোনার উপসর্গ দেখা দিলে হেলাফেলা করা উচিত নয়। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার প্রথম সপ্তাহ বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই সময়ে সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকা বাঞ্ছনীয়। রোগীর অবস্থা যদি একেবারেই খারাপ হয় তাহলে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে। এ সময় কোনোভাবেই রোগীকে অবহেলা করা যাবে না। করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির যেসব উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া উচিত সেসব উপসর্গ হলো- 

Dhaka Post

শ্বাসকষ্ট

করোনাভাইরাস সংক্রামক ব্যাধি। যেকোনো বয়সের মানুষ এতে আক্রান্ত হতে পারেন। রোগী শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যথা অনুভব করলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া উচিত। অধিকাংশ চিকিৎসক পরামর্শ দিচ্ছেন শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যথা দেখা দিলে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে দেরি করা যাবে না। ভাইরাসের প্রভাব যাতে আরও খারাপ না হয় সে কারণে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। 

Dhaka Post

অক্সিজেন-স্বল্পতা

অক্সিজেন-স্বল্পতার কারণে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়তে হতে পারে। যখন কোনো ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হন, তখন তার নিউমোনিয়া হওয়ার ঝুঁকি থাকে। যা ফুসফুসকে প্রভাবিত করে অক্সিজেন-স্বল্পতা সৃষ্টি করে। অক্সিজেন-স্বল্পতা থেকে সৃষ্টি হয় শ্বাসকষ্ট। তাই রোগ যাতে না বেড়ে যায় সে ব্যবস্থা নিতে হবে। 

Dhaka Post

বুকে ব্যথা

করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি বুকে ব্যথা অনুভব করলে অবশ্যই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। চিকিৎসকের কাছে পরামর্শ নিতে হবে। বুকে অসহ্য ব্যথা অনুভব করলে রোগীকে প্রাথমিক অবস্থায় হাসপাতালে নিতে হবে। 

Dhaka Post

ঠোঁট নীলচে হয়ে যাওয়া

অক্সিজেন-স্বল্পতার কারণে অনেক করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির ঠোঁট নীলচে হয়ে যায়। এ অবস্থায় যত্ন না নেওয়া হলে রোগীর জীবন হুমকির সম্মুখীন হয়। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, ঠোঁট নীলচে হয়ে এলেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। কারণ এটি করোনার অন্যতম একটি উপসর্গ। 

Dhaka Post

সাধারণ কিছু উপসর্গ

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে কিছু সাধারণ উপসর্গ রোগীর মধ্যে দেখা যাচ্ছে। এসব উপসর্গ ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠে। তাই এসব উপসর্গ দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। উপসর্গগুলো হলো-

১. জ্বর,

২. শুকনো কাশি,

৩. গলা ব্যথা,

৪. নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া,

৫. হাত-পায়ের জয়েন্টে ব্যথা। 

এগুলো ছাড়াও আরও কিছু উপসর্গ দেখা দিলে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। যেমন ডায়রিয়া, অবসাদগ্রস্ততা কারও মধ্যে দেখা গেলে জরুরিভাবে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। 

টাইমস অব ইন্ডিয়া অবলম্বনে এইচএকে/এইচএন/এএ 

Link copied