ভোটের আগে জোটের ভিড়!

Dhaka Post Desk

ঢাকা পোস্ট ডেস্ক

১৫ জানুয়ারি ২০২৩, ০২:২০ পিএম


ভোটের আগে জোটের ভিড়!

ছবি : সংগৃহীত

১৫ জানুয়ারি ২০২৩।

আইএমএফের ঋণের চূড়ান্ত অনুমোদনের আগেই সরকার কিছু শর্ত পূরণ করা শুরু করে দিয়েছে। মূলত যেসব শর্ত পূরণ করা সহজ, যা সাধারণ মানুষের ওপর চাপ বাড়ায়, সেগুলোই সরকার দ্রুত করছে। কিন্তু এইভাবে সাধারণ মানুষ আর কত নেবে? মানুষের চাপ নেওয়ার ক্ষমতা কত? এর পাশাপাশি আজকের জাতীয় দৈনিকের গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলো একবার দেখে আসি—

প্রথম আলো

মানুষের ওপর চাপ বাড়িয়ে আইএমএফের শর্ত পূরণ

তড়িঘড়ি করে বিদ্যুতের দাম ৫ শতাংশ বাড়িয়েছে সরকার। এর আগে গত আগস্টে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে রেকর্ড পরিমাণে। আর গত জুনে বেড়েছে গ্যাসের দাম। বাকি আছে পানির দাম, তা–ও বাড়ানোরও উদ্যোগ আছে।   এখানেই শেষ নয়। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেই দিয়েছেন যে মাসে মাসে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হবে। একইভাবে আবারও সমন্বয় করা হবে পানি-বিদ্যুৎ-গ্যাসের দামও। কারণ, সরকারকে এসব খাতে ভর্তুকি কমাতে হবে। এটাই আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) অন্যতম শর্ত।

সাশ্রয়ী ও পরিবেশের জন্য কম ক্ষতিকর যোগাযোগমাধ্যম হিসেবে গণ্য করা হয় নৌপথকে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, কয়েক দশক ধরে নৌপথের উন্নয়নে যেমন গুরুত্ব দেওয়া হয়নি ফলে যা হওয়ার কথা তাই হয়েছে।

প্রথম আলো

৯৯ সেতুর ৮৫টিরই উচ্চতা কম

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) দেশের ৯৯টি সেতুর ওপর জরিপ চালিয়ে দেখেছে ৮৫টিরই উচ্চতা কম। নিচু হওয়ার কারণে বর্ষা মৌসুমে এসব সেতুর নিচ দিয়ে বড় নৌযান চলাচল করতে পারে না। কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়ে নৌপথগুলো।

ভোটের আগে জোট আর দলের ছড়াছড়ি।

সমকাল

অখ্যাতরাও হতে চাইছে বিখ্যাত

আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ভোটের মাঠে পরস্পরের প্রবল প্রতিপক্ষ। প্রতিবারই সংসদের ভোট সামনে রেখে এই দুই রাজনৈতিক দল নতুনভাবে সাজায় জোটের মঞ্চ। এবারও জোটে একের পর এক দল ভিড়িয়ে শক্তির জানান দিতে চাইছে দু'দলই। তবে তারা জোটের পাল্লা ভারী করতে এমন নামসর্বস্ব দল বা সংগঠনকে টানছে, যা নিয়ে চলছে হাস্যরস, দেখা দিয়েছে নানামুখী প্রশ্ন। এমনও দল আছে যাদের শুধু এক নেতাই আছেন, আর কেউ নেই।

আরও পড়ুন >>> নির্বাচনী বছরে উত্তপ্ত রাজনীতি ও অর্থনীতি 

সমকাল

ঠিকানাহীন দল আর জোট জোড়াতালি

গুনে গুনে সাড়ে চার ডজন, সংখ্যাটা ৫৪। সবাই সরকারবিরোধী। এর মধ্যে আছে 'এক নেতার এক দল'! সংগঠনের শীর্ষ নেতা হিসেবে আছেন পল্টন মোড়ের মোজা বিক্রেতা, আছেন আদম কারবারিও।

গৃহকর্মী নির্যাতন বাড়ছেই।

সমকাল

গৃহকর্মী নির্যাতন বাড়ছে মামলা

বেশিরভাগ গৃহকর্মী নিয়মিত অল্প অত্যাচারের শিকার হন। তাদের মুখ বন্ধ থাকে। তারা পরিবারকে বলতে চান না। কারণ ওই পরিবারেও তো তাদের সুখকর অবস্থান ছিল না। অনেক সময় বাড়িতে তারা পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হন। আবার অনেকে তাদের নির্যাতনের কথা বলতে লজ্জাবোধ করেন। সে কারণে এ নিয়ে কাউকে কিছু বলতে চান না। এই না বলতে পারার কারণে তারা শারীরিকভাবে যেমন নির্যাতনের শিকার হন, তেমনি মানসিকভাবেও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। নির্যাতন সহ্য করতে করতে একসময় এটি তাদের জন্য অভ্যাসে পরিণত হয়।

বিদ্যমান পরিস্থিতিতে কোনো তালিকার তোয়াক্কা না করে বিক্রেতারা খেয়াল-খুশিমতো দাম রাখছেন। আর উচ্চমূল্যে পণ্য কিনে হাঁসফাঁস অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে অসহায় ক্রেতাদের।

যুগান্তর

মূল্য নেই নিত্যপণ্যের মূল্য তালিকার

রাজধানীর কাঁচাবাজারে নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তালিকা প্রকাশ করে থাকে। আর এসব তালিকার একটির দামের সঙ্গে আরেকটির কোনো মিল নেই। শুধু তাই নয়, ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে বাজারগুলোতে তালিকা টানানোর বিধান থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা অনুপস্থিত। এমনকি তালিকা অনুযায়ী দ্রব্যমূল্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি মনিটরিংয়ের জন্য সুনির্দিষ্টভাবে দায়িত্ব আছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। কিন্তু সেটিরও নেই তেমন কোনো কার্যকারিতা।

মহাসড়কে নসিমন, করিমন ও ভটভটি বন্ধে ২০১৭ সালের ২৫ জানুয়ারি নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। তা মানছে না কেউ।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

আদালত মানেন না আমলারা!

উচ্চ আদালতের নির্দেশনা যে বাস্তবায়ন হয়নি, তা দেশের যেকোনো এলাকায় ঘর থেকে রাস্তায় নামলেই বোঝা যায়! এ যানগুলো বন্ধের আদেশ না মানায় এগুলো এখন দেশবাসীর যাতায়াতে নিত্যদিনের ‘বিপজ্জনক সঙ্গী’ হয়ে উঠেছে। শুধু নসিমন, করিমন, ভটভটির বেলায় নয়; অনুসন্ধান বলছে, নিম্ন কিংবা উচ্চ- কোনো আদালতের আদেশই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সঠিকভাবে পালন করছেন না আমলারা। জেলা প্রশাসক (ডিসি) পুলিশ সুপার (এসপি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), এসি ল্যান্ড, ওসি- কেউই খুব একটা আমলে নেন না আদালতের নির্দেশ।

আরও পড়ুন >>> টাকার নাকি পাখা গজাইছে! 

এত গলদ কীভাবে মানা যায়?

কালের কণ্ঠ

পরিকল্পনা থেকে সমন্বয় সব ক্ষেত্রে গলদ

রাজধানীর ফুলবাড়িয়ায় সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল পুনর্নিমাণ কাজের অগ্রগতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। দীর্ঘ তিন বছর প্রকল্পের অডিট না হওয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)। দুই বছরের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা থাকলেও তিন বছরের বেশি সময়ে আর্থিক অগ্রগতি মাত্র ১৯ শতাংশ। ভৌত অগ্রগতি ২৩ শতাংশ। বর্তমানে নির্মাণাধীন হাসপাতালটির চারতলা ভবন পর্যন্ত চিকিৎসা চলছে।

এছাড়াও আজকের দৈনিকে সাকরাইন উৎসব, লন্ডনের অভিজাত এলাকায় প্রপার্টির শীর্ষ বিদেশী ক্রেতা বাংলাদেশীরাও এই সংবাদ গুরুত্ব পেয়েছে।

Link copied