পাঠ্যবইয়ে আর কত ভুল বের হবে?

Dhaka Post Desk

ঢাকা পোস্ট ডেস্ক

১৮ জানুয়ারি ২০২৩, ০৩:৫৭ পিএম


পাঠ্যবইয়ে আর কত ভুল বের হবে?

ছবি : সংগৃহীত

১৮ জানুয়ারি ২০২৩।

যশোরের শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক উদ্বোধনের পর পাঁচ বছরে আট কোটি টাকার মতো আয় করেছে। এর মধ্যে সরকার পেয়েছে ২ কোটি ১২ লাখ টাকা। সফটওয়্যার পার্কে এখন হচ্ছে বিয়ের অনুষ্ঠান। কেন এমন হয়? এর পাশাপাশি আজকের জাতীয় দৈনিকের গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলো একবার দেখে আসি—

প্রথম আলো

টিকে থাকতে যশোর সফটওয়্যার পার্কে বিয়ের অনুষ্ঠান

পার্কটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কোম্পানি টেকসিটি বাংলাদেশ লিমিটেড বলছে, তাদের লোকসান হচ্ছে। এ কারণে পার্কে এখন তারা বিয়েসহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজন করছে। যাতে আয় বাড়ে। প্রতিষ্ঠানটির দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, গত আগস্ট পর্যন্ত আগের ছয় মাসে পার্কে ৫৫টি অনুষ্ঠান হয়েছে। এর মধ্যে বিয়ে ও বউভাতের মতো অনুষ্ঠান হয়েছে ২৩টি। বাকিগুলো চাকরি মেলাসহ অন্যান্য অনুষ্ঠান।

ডলার সংকট প্রকট হচ্ছে। ব্যাংক ঋণপত্রের বিপরীতে ডলারে মূল্য পরিশোধ করতে না পারায় তিনটি জাহাজের তেল ও চিনি খালাস করা যাচ্ছে না।

প্রথম আলো

ডলারসংকটে রোজার পণ্য খালাস করা যাচ্ছে না

মার্কিন ডলারে আমদানি মূল্য পরিশোধ করতে না পারায় চট্টগ্রাম বন্দরে আসা তিনটি জাহাজের পণ্য খালাস করা যাচ্ছে না। জাহাজগুলোতে পবিত্র রমজান মাসের বাজার সামনে রেখে আনা হয়েছে অপরিশোধিত চিনি ও ভোজ্যতেল। পণ্যের পরিমাণ প্রায় ৫৪ হাজার টন—আমদানি মূল্য ৩ কোটি ৫১ লাখ মার্কিন ডলার।

যুগান্তর

ডলারে অস্থিরতায় টাকার মান কমার আশঙ্কা

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় বৈশ্বিক মন্দার নেতিবাচক প্রভাব বাংলাদেশে আরও পড়বে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলসহ নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার কারণে ডলারের বাজারে অস্থিরতা থাকবে। এতে ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যাবে।

আরও পড়ুন >>> জোশের লাগাম টানতে হবে 

দুর্নীতি যখন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে!

সমকাল

বায়তুল মোকাররমকেও ছাড়েনি দুর্নীতি

দুর্নীতি ছাড়েনি বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদকেও। কর্তৃপক্ষের যোগসাজশে ইমাম নিয়োগে বিভিন্ন জালিয়াতি হয়েছে গত দেড় যুগে। ১৪ মাসে তিনবার কমিটি গঠন ও পুনর্গঠনের পর তদন্তে দুর্নীতির প্রমাণ মিললেও ব্যবস্থা নেয়নি ধর্ম মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা)। ১৫ মাস পড়ে আছে তদন্ত প্রতিবেদন।

এত এত জঙ্গি আস্তানা বাড়ছে, প্রশাসন কিছু করছে?

সমকাল

পাহাড়ে জঙ্গি প্রশিক্ষণে চার 'ওস্তাদজি'

পাহাড়ে জঙ্গি আস্তানায় ধারাবাহিক অভিযানের পর এখনও ঘরছাড়া ৪১ তরুণের খোঁজ মিলছে না। এরই মধ্যে গ্রেপ্তার জঙ্গিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বান্দরবানের রুমায় কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) ও নতুন জঙ্গিগোষ্ঠী জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারকস্ফীয়ার গোপন আস্তানায় অভিযান চালায় র‌্যাব।

পাঠ্যবইয়ে একের পর এক ভুল বের হচ্ছে। ভুল ও অসঙ্গতিপূর্ণ তথ্য দিয়ে পাঠ্যবই ছাপানোয় উদ্বিগ্ন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

ইত্তেফাক

ভুলে ভরা পাঠ্যবই!

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তদারকির অভাব ছিল। ফলে বইয়ের লেখক, সম্পাদক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এর দায় এড়াতে পারেন না। যদিও এনসিটিবির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বইয়ের ভুল থাকার মূল দায় লেখক ও সম্পাদকের।

আরও পড়ুন >>> নতুন শিক্ষাক্রমের সমস্যা কোথায়? 

প্রায় ৩৪ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের আওতায় সমীক্ষা চালিয়ে নদী দখলকারী প্রায় ৩৮ হাজার ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করেছে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

দখলদারের পক্ষে নদীরক্ষা কমিশন!

দখল-দূষণ থেকে দেশের নদনদীগুলোকে রক্ষার্থে গত কয়েক বছর ধরে নানামুখী তৎপরতা চালাচ্ছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সালে ‘৪৮ নদী সমীক্ষা’ প্রকল্প হাতে নেয় নদী রক্ষা কমিশন। সরকারি অর্থায়নে ৩০ কোটি ২৭ লাখ টাকার প্রকল্পটি ২০২১ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু ওই বছরের আগস্টে মেয়াদ বাড়িয়ে প্রকল্পের সময়কাল নির্ধারণ করা হয় ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।

বণিক বার্তা

৩৭ হাজার দখলদারের তথ্য মুছে দিয়েছে নদী রক্ষা কমিশন

দেশের নদ-নদী দখলদারদের তালিকা তৈরিতে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন (এনআরসিসি)। এর কাজ শেষ হয় গত ডিসেম্বরে। প্রকল্পটির মাধ্যমে ৩৭ হাজার ৩৯৬ নদ-নদী দখলদারকে চিহ্নিত করা হয়, যা এনআরসিসির ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়েছিল।

নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগের দুশ্চিন্তা এখন বিএনপির কর্মকর্তাদের নিয়ে।

দেশ রূপান্তর

আ.লীগের চিন্তা বিএনপির কর্মকর্তা

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০৫ সালে নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ দেওয়া হয় তিন শতাধিক কর্মকর্তা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন তখন এমএ আজিজ। নন গেজেটেড এ কর্মকর্তাদের নিয়োগ পরীক্ষা নেয় পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি)। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান তারা। তাদের মধ্যে বড় অংশই এখন জ্যেষ্ঠ ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার পদে পদোন্নতি পেয়ে কর্মরত।

এছাড়াও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি, আইএমএফের ঋণ, রোহিঙ্গা নজরদারি, রাজনৈতিক সংলাপের খবর গুরুত্ব পেয়েছে।

Link copied