তৃতীয় ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবি

বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক হলে শিক্ষার্থীদের জন্য সারাবিশ্বে বিচরণের নতুন দ্বার উন্মোচিত হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবে গণস্বাক্ষরতা অভিযান কর্তৃক আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নিবার্হী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, তৃতীয় ভাষা শিক্ষা ৮ম শ্রেণি থেকে শুরু করা সঙ্গত বলে মনে করছি আমরা। এক্ষেত্রে ভাষা শিক্ষায় অনলাইন রিসোর্স ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং আদিবাসীদের ভাষাকে গুরুত্ব দিয়ে মাতৃভাষাভিত্তিক প্রাথমিক শিক্ষা দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক শাহ শামীম আহমেদ বলেন, দেশের প্রয়োজনে যে ভাষাটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন আমরা সেই ভাষার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করব। ভাষার সঙ্গে দেশের অর্থনীতির সম্পর্ক রয়েছে। আমাদের দেশ থেকে প্রতিবছর প্রচুর মানুষ কর্মসংস্থান এবং উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশে যান। বিদেশে গিয়ে তারা যেন ভাষার জটিলতায় না পরেন সেই দিক বিবেচনা করে আমরা সুপারিশ করব।
তিনি আরও বলেন, আমরা সরকারকে বলব সরকারি উদ্যোগে ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র খোলার জন্য। আমাদের দেশ থেকে যে পরিমাণ জনশক্তি বিদেশে যায়, আমাদের রেমিট্যান্সে তাদের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের এমেরিটাস প্রফেসর ড. মনজুর আহমদ, এডুকেশন ওয়াচের আহ্বায়ক ড. আহমদ মোশতাক রাজা চৌধুরী, বাংলাদেশ ক্যাথলিক এডুকেশন বোর্ডের সাধারণ সম্পাদক জ্যোতি এফ গমেজ প্রমুখ।
ওএফএ/এমএন