উত্তরার বাস টার্মিনালগুলোতে ঘরমুখো মানুষের ভিড়

পবিত্র ঈদুল ফিতরের আর মাত্র দুই থেকে তিন দিন বাকি। নাড়ির টানে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে মানুষ, যার প্রভাব পড়েছে রাজধানীর প্রবেশদ্বারগুলোতে।
বিজ্ঞাপন
ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিনে আজ (মঙ্গলবার) উত্তরার আবদুল্লাহপুর, হাউজ বিল্ডিং, আজমপুর ও বিমানবন্দর এলাকায় ঘরমুখো যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। তবে স্বস্তির যাত্রায় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বাসের অতিরিক্ত ভাড়া আর দীর্ঘ অপেক্ষার ভোগান্তি।

ঘণ্টার পর ঘণ্টা পরিবার-পরিজন নিয়ে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেকে কাঙ্ক্ষিত বাসের দেখা পাচ্ছেন না। সকাল থেকেই উত্তরার এসব এলাকায় যাত্রীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।
কবির হোসেন নামে গাইবান্ধাগামী ইউনিক পরিবহনের এক যাত্রী বলেন, ‘বিকেল ৪টার সময় এসে ৬টার পরে টিকিট কেটেছি। গাড়ি ছাড়বে রাত ১০টায়। আগে যেখানে ভাড়া ছিল ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা, এখন সেই টিকিটের দাম ১ হাজার ৫০০ টাকা।’
বিজ্ঞাপন
একই পরিস্থিতির শিকার বিপ্লব সরকার নামে আরেক যাত্রী। তিনি বলেন, ‘সৈয়দপুর যাওয়ার জন্য পরিবার নিয়ে বিকেল থেকে বসে আছি, তবুও বাসের টিকিট পাচ্ছি না। কীভাবে যাব এখন সেটাই ভাবছি।’

পেশায় রাজমিস্ত্রি স্বপন তালুকদার থাকেন দক্ষিণখানে। নীলফামারী যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আমরা তিনজন যাব কিন্তু টিকিটের দাম অনেক বেশি চাচ্ছে। জনপ্রতি ১ হাজার ৫০০ টাকা করে টিকিটের দাম নিচ্ছে। আগে এর দাম ছিল ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা।’
তবে বাড়তি ভাড়ার বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। আবদুল্লাহপুর বাস টার্মিনালের একতা পরিবহনের ম্যানেজার দুলাল হোসেন জানান, এখনো টিকিট ৫৫০ টাকা করেই বিক্রি করা হচ্ছে। গাড়ির শিডিউল বিপর্যয়ের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘তেলের কারণে অনেক গাড়ি বসে আছে। পাম্পে তেলের অনেক সিরিয়াল ও ঠিকমতো তেল পাওয়া যাচ্ছে না বলে গাড়ির শিডিউল কিছুটা এলোমেলো হচ্ছে।’
বিজ্ঞাপন
এএএম/বিআরইউ