ঈদ শেষে ঢাকামুখী মানুষ, ভোগান্তির শঙ্কায় আগেই ফেরা

ঈদের ছুটি শেষে এখন কর্মস্থলে ফেরার পালা। কর্মের তাগিদে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। সম্ভাব্য ভোগান্তি এড়াতে অনেকে আগেই ফিরছেন।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (২৩ মার্চ) রাজধানীর গাবতলী টার্মিনালে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা বিভিন্ন গন্তব্যের বাস পৌঁছাতে দেখা গেছে। এর মধ্যে অধিকাংশ বাসই ছিল যাত্রীতে ভরা। তবে ঈদের তৃতীয় দিনেও গ্রামে যাচ্ছেন অনেকে।
বেসরকারি চাকরি করেন আলমগীর হোসেন। ঝামেলাবিহীন কর্মস্থলে যোগ দিতে আগেভাগেই ঢাকায় পৌঁছান তিনি। আলমগীর বলেন, আমি একটি কোম্পানিতে চাকরি করি। আগামীকাল ফেরার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু ভোগান্তির কথা চিন্তা করে আজই খুলনা থেকে চলে এসেছি।
বাড়তি ভাড়া নেওয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হয়েছে। তবে কিছু করার নেই। কারণ দিনশেষে আমরাই ভুক্তভোগী।
বিজ্ঞাপন

সোহাগ পরিবহনের কাউন্টারে কর্মরত মেহেদী বলেন, ঈদের ছুটি শেষে আজ সকাল থেকেই রাজধানীতে ফেরা শুরু করেছেন লোকজন। আমাদের সব বাসই ভরাযাত্রী নিয়ে ঢাকায় ফিরছে। তবে যাওয়ার সময় কয়েকটি আসন ফাঁকা যাচ্ছে।
বরিশাল-বাগেরহাট রুটে চলাচলকারী দিগন্ত পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার শাহজাহান জানান, ঈদের পর এখন তেমন যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে না। কেউ কেউ ফিরতে শুরু করলেও মূল চাপ আগামীকাল থেকে বাড়বে। কিছুক্ষণ আগে ১৭ জন যাত্রী নিয়ে খুলনার উদ্দেশে একটি বাস ছেড়েছে। বাকি ২৩টি আসনই ফাঁকা গেছে।
ভাড়া নিয়ে ভিন্ন চিত্র তুলে ধরেন শাহজাহান। তিনি বলেন, ঈদের পর সরকার নির্ধারিত ৮৩০ টাকার ভাড়া কমিয়ে যাত্রী নেওয়া হচ্ছে। এরপরও তেমন পাওয়া যাচ্ছে না। তবে ঢাকায় ফেরার সময় নির্ধারিত ভাড়াই নেওয়া হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
সবমিলিয়ে গাবতলী টার্মিনালে একদিকে ফিরতি যাত্রীর চাপ বাড়ছে, অন্যদিকে কিছু রুটে এখনও ফাঁকা আসন নিয়ে বাস চলাচল করছে। তবে আজকের দিন পেরোলেই বাড়তি চাপ দেখা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এমআরআর/জেডএস