‘স্যাটায়ারের লুক প্রতিষ্ঠিত মিডিয়ার মতো হওয়া অপরাধ’

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি; তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়) জাহেদ উর রহমান বলেছেন, স্যাটায়ারের লুক কোনো প্রতিষ্ঠিত মিডিয়ার লুকের মতো হওয়া একটা অপরাধ।
বিজ্ঞাপন
আজ (বুধবার) সচিবালয়ে সরকারের এক মাস নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা এ কথা জানান।
জাহেদ উর রহমান বলেন, আমি সামাজিক মাধ্যমের একটা নতুন ফেনোমেননের কথা বলি যেটা আমার কাছে খুবই অ্যালার্মিং মনে হয়। আমি বিশ্বাস করি আপনি এটা এগ্রি করবেন। মানে প্রতিষ্ঠিত পরিচিত কোনো একটা নিউজ মিডিয়ার মতো করে একটা লোগো তৈরি করে, দূর থেকে দেখতে মনে হয় ওই মিডিয়ার লোগো, একটা ভিন্ন নাম দিয়ে কতগুলো নিউজ দেওয়া হয়, এক ধরনের স্যাটায়ার।
তিনি বলেন, এটা মারাত্মক রকম ডিসইনফরমেশন ছড়াচ্ছে। আপনারা খেয়াল করেছেন আশা করি। সো আমি মনে করি আপনাদের সাথে নিয়ে আপনারা আমাদের সাথে একমত হবেন। কেউ স্যাটায়ার করতেই পারে। কিন্তু সেই স্যাটায়ারের কোনো লুক কোনো প্রতিষ্ঠিত মিডিয়ার লুকের মতো হবে না। আমার কাছে এটা একটা অপরাধ বলে মনে হয়। সো আমরা এই ব্যাপারটায় কাজ করতে চাই, আমরা খুব দ্রুত এটাকে একটা স্ট্রাকচারের মধ্যে আনবো। কারণ আমি অনেককে দেখেছি এগুলোকে রেফার করে কথা বলছেন, শেয়ার করছেন সচেতন মানুষ। আসলে এই ডিসইনফরমেশন ফাইট করার জন্য তো কয়েকটা কাজ আছে। একটা হলো এই ডিসইনফরমেশন ডিটেক্ট করা, সেটাকে ডিবাঙ্ক করা এবং ডিসেমিনেট করা।
বিজ্ঞাপন
উপদেষ্টা বলেন, আমরা সোশ্যাল মিডিয়ার সাথে এনগেজ করার জন্য একটা প্রজেক্ট তৈরি করেছি। প্রজেক্টটার নাম হচ্ছে— নিউ মিডিয়া সর্বোত্তম ব্যবহার ও স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান তৈরির মাধ্যমে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ দপ্তর সংস্থার কার্যক্রমের সাথে জনসাধারণের সম্পৃক্ততা জোরদারকরণ। একটা প্রজেক্ট নেওয়া হয়েছে এটার মাধ্যমে আমরা সেটা ডিসেমিনেটও করবো।
জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, আর যেটা বারবার বলছি আমরা একটা নীতিমালা এবং আইনের অধীনে ডিসইনফরমেশনকে আসলে ডিল করতে চাই। ডিল করা বলতে মানুষকে সচেতন করা তো আছেই, সঙ্গে এটা বোঝাতে চাই যে এটা অন্যায় এবং এটা অপরাধ।
বিজ্ঞাপন
এসময় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান, সচিব মাহবুবা ফারজানা উপস্থিত ছিলেন।
এসএইচআর/এনএফ