জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন কার্যক্রম ইসিতে ফিরিয়ে আনার দাবি কর্মকর্তাদের

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রণীত ‘জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০২৩’ বাতিল করে এনআইডি সেবা পুনরায় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অধীনে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন। একই সঙ্গে কর্মকর্তাদের পদ আপগ্রেডেশন ও পদ সৃজনসহ কিছু যৌক্তিক দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (২৫ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক ‘অভিনন্দন বার্তায়’ অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক মোহাম্মদ মনির হোসেন ও সদস্য সচিব মোহাম্মদ মতিয়ুর রহমান এসব দাবি জানান।
বিবৃতিতে স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের জন্য বর্তমান কমিশনকে অভিনন্দন জানানো হয়। কর্মকর্তারা বলেন, কমিশনের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও নিরলস পরিশ্রমে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। বিশেষ করে আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের উদ্যোগ দেশে-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে এবং নির্বাচনকে অধিকতর অংশগ্রহণমূলক করেছে।
অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন মনে করে, জাতীয় পরিচয়পত্র সেবা বা এর তথ্যভাণ্ডার নির্বাচন কমিশনের অধীনে রাখা দেশের জন্য কল্যাণকর। তারা প্রত্যাশা করেন, বিগত সরকার নির্বাচনকে নিয়ন্ত্রণ করার উদ্দেশ্যে যে তড়িঘড়ি করে এনআইডি আইন ২০২৩ প্রণয়ন করেছিল, তা বাতিল করে এই কার্যক্রম পুনরায় ইসির অধীনে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হবে।
বিজ্ঞাপন
বর্তমান কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পর ‘নির্বাচন কমিশন সার্ভিস’ গঠনসহ কর্মকর্তাদের কল্যাণে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করা হয় বিবৃতিতে। সংগঠনের নেতারা জানান, দীর্ঘদিনের দাবি অনুযায়ী একটি আইনানুগ ও ন্যায়সংগত জ্যেষ্ঠতা তালিকা প্রণয়ন কর্মকর্তাদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছে। এ ধরনের উদ্যোগ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্পৃহা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের পদ আপগ্রেডেশন, নতুন পদ সৃজন এবং অন্যান্য অমীমাংসিত দাবিগুলোর বিষয়ে দ্রুততম সময়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য কমিশনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন। তারা আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান কমিশন এসব যৌক্তিক দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে কর্মকর্তাদের পেশাগত মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।
এসআর/বিআরইউ