বিজ্ঞাপন

আমাদের ঠিকানা মুক্তিযুদ্ধ এবং আমাদের ঠিকানা ৭১ : মন্ত্রী আযম খান

অ+
অ-
আমাদের ঠিকানা মুক্তিযুদ্ধ এবং আমাদের ঠিকানা ৭১ : মন্ত্রী আযম খান

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, আমাদের ঠিকানা মুক্তিযুদ্ধ এবং আমাদের ঠিকানা ৭১। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ অর্জন আমাদের স্বাধীনতা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা একবারই এসেছে; এর আগেও আসেনি, পরেও আর আসবে না।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (২৮ মার্চ) নগর ভবনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগরীর প্রায় দেড় হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট টেনে মন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, ‘৯০-এর গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারের পতন এবং ২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন– এগুলো আমাদের বড় রাজনৈতিক অর্জন। স্বাধীন দেশে এই অর্জনগুলোকে আমরা শ্রদ্ধা করি। তবে এই অর্জনগুলোকে যদি আমরা স্বাধীনতার সঙ্গে সমানতালে মিলিয়ে ফেলি, তবে তা হবে আমাদের জন্য বড় বিপর্যয়ের কারণ।’

বিজ্ঞাপন

আহমেদ আযম খান আরও জানান, তার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত শহীদের সংখ্যা, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের সঠিক তালিকা প্রণয়নের মতো চ্যালেঞ্জিং কাজগুলো সম্পন্ন করবে। এ ছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানি ভাতা, আবাসন ও চিকিৎসাসুবিধা নিশ্চিত করা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ বিবেচনায় রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানে বীর শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং মুক্তিযুদ্ধের ওপর বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা স্মারক, ফুলেল শুভেচ্ছা ও উত্তরীয় প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে একাত্তরের রণাঙ্গনের স্মৃতিচারণা করেন ৯ নম্বর সেক্টরের সাব-সেক্টর কমান্ডার ক্যাপ্টেন নুরুল হুদা (পিএসসি); বীর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক নঈম জাহাঙ্গীর ও সদস্যসচিব সাদেক আহমেদ খান; জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের আহ্বায়ক ইশতিয়াক আজীজ উলফাত এবং বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক লে. ক. (অব.) জয়নাল আবেদীনসহ প্রমুখ।

বিজ্ঞাপন

সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে ডিএসসিসি পরিচালিত স্কুলের শিক্ষার্থীরা দেশাত্মবোধক গান ও নৃত্য পরিবেশন করে। এ ছাড়া বেবি নাজনীন, ইথুন বাবু, রিজিয়া পারভীন, মৌসুমি চৌধুরী ও শিবা শানুর মতো প্রথিতযশা শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেন।

এএসএস/বিআরইউ