গত ১৫-১৬ বছরে প্রাকৃতিক গ্যাসখাতে বড় এক্সপ্লোরেশন হয়নি উল্লেখ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের সদস্য (বিদ্যুৎ) মোহাম্মদ শাহিদ সারওয়ার বলেছেন, গ্যাসকূপ খননে লংটার্ম পরিকল্পনা গ্রহণ করা উচিত।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত 'বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট : বাংলাদেশে এর প্রভাব ও মোকাবিলা' শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির (সোলার) মাধ্যমে বিদ্যুতের সমস্যা অনেকটাই সমাধান করা সম্ভব। কিন্তু যেসবে ফসিল ফুয়েল প্রয়োজন, সেগুলোর কি হবে? গত ১৫-১৬ বছরে প্রাকৃতিক গ্যাসখাতে তেমন এক্সপ্লোরেশন হয়নি, বড় আকারের কোনো কূপও খনন করা হয়নি। একটা কূপ খনন করতে সর্বোচ্চ ৩ থেকে ৪শ কোটি টাকা লাগে। অথচ দেশ থেকে পাচারই হয়ে গেছে হাজার হাজার কোটি টাকা। সুতরাং গ্যাসকূপ খননে লংটার্ম পরিকল্পনা গ্রহণ করা উচিত।
তিনি আরো বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে আমাদের অনেক পলিসি রয়েছে। ২০০৮ সালে যখন এই পলিসি গ্রহণ করা হয়, তখন বলা হয়েছিল যে ২০২০ সালের মধ্যে আমাদের সামগ্রিক উৎপাদনের ১০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির মাধ্যমে হবে। অথচ এখন পর্যন্ত তা ৫ শতাংশের উপরে আসেনি। পরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও একটা পলিসি গ্রহণ করে, সেটাও সফল হয়নি। নবায়নযোগ্য জ্বালানি বাস্তবায়নে যে জটিলতাগুলো রয়েছে,এসবের অনুসন্ধান ও সমাধানে আমাদের ঘাটতি রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে রিহ্যাব একটি বড় ভূমিকা রাখতে পারে উল্লেখ করে মোহাম্মদ শাহিদ সারওয়ার বলেন, রিহ্যাব যদি তাদের তৈরি করা বিল্ডিংয়ে ছাদে সোলার প্যানেল বসানোর প্লানটা রাখে, তাহলে রূফটপ সোলার প্যানেল বাস্তবায়ন অনেকটাই সম্ভব।
সভায় ডিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট তাসকিন আহমেদের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শিবির বিচিত্র বড়ুয়া, বিএসআরইএ প্রেসিডেন্ট মোস্তফা আল মাহমুদ, জ্বালানি বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ড. এম শামসুল আলম, ড. ইজাজ হোসেন, বিএপিআই-এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এম মোসাদ্দেক হোসেন, পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ নাজমুল হক, আইডিসিওএল-এর সিআইও নাজমুল হক প্রমুখ।
ওএফএ/জেডএস
