অলি আহমদের বিরুদ্ধে মামলা রাজনৈতিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত : জামায়াত

মুক্তিযুদ্ধের খেতাবপ্রাপ্ত বীরমুক্তিযোদ্ধা ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমের বিরুদ্ধে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপরায়ণ’ মিথ্যা মামলা দায়েরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ একজন খেতাবপ্রাপ্ত বীরমুক্তিযোদ্ধা। মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ‘বীর বিক্রম’ খেতাবে ভূষিত হন। তিনি একজন সৎ, গণতন্ত্রমনা ও দেশপ্রেমিক বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তার মতো একজন পরিচ্ছন্ন ও মর্যাদাসম্পন্ন রাজনীতিবিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত, অনভিপ্রেত এবং রাজনৈতিক অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। হয়রানিমূলক এ মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের জন্য আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।
জানা গেছে, গত ৮ জানুয়ারি রাতে এমএ হাশেম রাজু কয়েকজন বিএনপি নেতাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে সাতকানিয়ার পুরানগড় ইউনিয়নে দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেন। কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে রাত ১১টার দিকে তাদের বহনকারী মাইক্রোবাস বাজালিয়া বাসস্ট্যান্ডের পশ্চিম পাশে ভাঙা ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে হামলার মুখে পড়ে।
এ ঘটনায় চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনের বিএনপি প্রার্থী জসিম উদ্দিনের নির্বাচনী প্রধান সমন্বয়ক ও ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সহসভাপতি এম এ হাশেম রাজু তার গাড়িতে হামলার এই অভিযোগ করেন।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, প্রধান অভিযুক্ত এলডিপি সভাপতি অলি আহমদসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাত আরও ৫০ থেকে ৬০ জনের সম্পৃক্ততার কথাও বলা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, অভিযুক্তরা সবাই লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী। এলডিপি সভাপতি অলি আহমদের নির্দেশেই দলটির নেতাকর্মীরা ওই হামলা চালায়।
জেইউ/এমএন