চট্টগ্রামে বিএনপি প্রার্থীর প্রচারণায় ককটেল হামলার অভিযোগ

চট্টগ্রাম-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর নির্বাচনী প্রচারণায় ককটেল হামলার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বোয়ালখালী উপজেলার পূর্ব কধুরখীল উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেছেন বিএনপি নেতারা।
বিএনপি নেতাদের দাবি, পূর্ব কধুরখীল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের কাছে এরশাদ উল্লাহর নির্বাচনী সমাবেশ চলাকালে সন্ধ্যা ৬টার দিকে তিনি বক্তব্য দিচ্ছিলেন। এসময় কাছাকাছি একটি স্থানে পরপর দুটি ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। এতে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পরে ককটেল হামলার অভিযোগ তুলে উপজেলা সদর ও চট্টগ্রাম নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে বিএনপি নেতাকর্মীরা।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইসহাক চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, পরিকল্পিতভাবে জামায়াত-শিবির এ হামলা চালিয়েছে।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক বলেন, এরশাদ উল্লাহর বক্তব্য চলাকালে আতঙ্ক ছড়ানোর উদ্দেশে সভাস্থলের পাশে জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসীরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়।
জামায়াত-শিবিরকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ককটেলের ভয় দেখাবেন না। পূর্বে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা গুলি করেও আমাকে থামাতে পারেনি। শান্ত বোয়ালখালীকে অশান্ত করার চেষ্টা করলে তার পরিণাম ভালো হবে না।
এ বিষয়ে বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান বলেন, প্রার্থী নিজেই কল করে বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছেন। বিষয়টি গুরুত্ব তদন্ত করা হচ্ছে। ককটেল বিস্ফোরণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। সভাস্থলের ৫০ গজ অদূরে আতশবাজি ফোটানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, বোয়ালখালী উপজেলা ও চট্টগ্রাম নগরীর একাংশ নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর বিপরীতে ১১ দলীয় জোটের এনসিপি প্রার্থী জোবাইরুল ইসলাম আরিফসহ মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। একই জোটভুক্ত জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ডা. আবু নাছের থাকলেও দলটি আসনটিতে এনসিপিকে সমর্থন দিয়েছে।
এর আগেও গত ৩ নভেম্বর নগরীর বায়েজিদ বোস্তামি থানার চালিতাতলী এলাকায় এরশাদ উল্লাহর প্রচারণায় হামলার ঘটনা ঘটেছিল। ওইসময় তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছিলেন। একই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন চট্টগ্রাম নগর পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী সরোয়ার হোসেন বাবলা।
এমআর/আরএমএন/এসএসএইচ