পার্টি অফিসে এখন অভিযোগের স্তূপ

Dhaka Post Desk

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৮:১৮ পিএম


পার্টি অফিসে এখন অভিযোগের স্তূপ

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের বিরুদ্ধে আসা অভিযোগ পার্টি অফিসে জমে স্তূপ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। 

বুধবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘করোনাকালীন শিল্প ও বাণিজ্য উন্নয়নে জননেত্রী শেখ হাসিনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান তিনি।

দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের নিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ইউপি নির্বাচনে কী যে অবস্থা! যার সঙ্গে তার বনবে না, তাকে বলবে রাজাকারের ছেলে। অথবা বলবে রাজাকারের নাতি বা শান্তি কমিটির সদস্য ছিল তারা। পার্টি অফিসে এসব অভিযোগের স্তূপ হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, আমরা সবই অনুসন্ধান করি এবং প্রকৃত লোকদেরই দেওয়ার চেষ্টা করি। এর মধ্যেও কিছু ভুল হয়। আমরাও মানুষ। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলো, আমাদের কিছু নেতা নিজের লোভ খোঁজে। অভিযোগের বিষয়গুলো বড়ই বেদনার।

দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ব্যবসায়ীরা রাজনীতি করতে পারেন। তবে রাজনীতি নিয়ে ব্যবসা ঘৃণা করি। রাজনীতিকে যখন ব্যবসার হাতিয়ার করা হয় সেটা তখন রাজনীতিও থাকে না ব্যবসাও থাকে না। এ দেশে অনেকে ব্যবসা না করেও রাজনীতিবিদ হয়ে ব্যবসায়ী হয়ে যান।

কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক অস্থিরতার বিষয়টি তুলে ধরে ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশের উন্নয়নে সাম্প্রদায়িক শক্তি বাধা তৈরি করছে। গত ১২ বছরে কোনো ঘটনা ঘটল না, কিন্তু এবার নির্বাচন সামনে রেখে এ ধরনের ঘটনা ঘটল। থলের বিড়াল বেরিয়ে পড়ছে। সাম্প্রদায়িক শক্তির নির্ভরযোগ্য ঠিকানা হচ্ছে বিএনপি। তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে দলটি।
 
তিনি বলেন, নিজের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য রাজনীতি করি না, দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে রাজনীতি করি। করোনাকালে শেখ হাসিনা প্রমাণ করেছেন তিনি নিজের জন্য নয়, দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে রাজনীতি করেন। শেখ হাসিনার ট্রু ফলোয়ার হলে দেশ সোনার দেশ হবে।

আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য উপ-কমিটির আয়োজনে সভায় সভাপতিত্ব করেন উপ-কমিটির চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য কাজী আকরাম আহমেদ।

উপ-কমিটির সদস্য সচিব ও আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমানের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি ও ডি ৮ সিসিআইয়ের সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম প্রমুখ।

এইউএ/আরএইচ/জেএস

Link copied