• সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
    জেলার খবর
  • খেলা
  • বিনোদন
  • জবস

বিজ্ঞাপন

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. কামরুল ইসলাম

গোপনীয়তার নীতিব্যবহারের শর্তাবলিযোগাযোগআমাদের সম্পর্কেআমরাআর্কাইভবিজ্ঞাপন

৯৫ সোহরাওয়ার্দী এভিনিউ, বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোন, ঢাকা ১২১২।

+৮৮০ ৯৬১৩ ৬৭৮৬৭৮

phone+৮৮০ ১৩১৩ ৭৬৭৭৪২

whatsapp+৮৮০ ১৭৭৭ ৭০৭৬০০

info@dhakapost.com

বিজ্ঞাপন

  1. ধর্ম

মহানবী (সা.) নিজেই যে সাহাবিকে দাফন করেছিলেন

ধর্ম ডেস্ক
ধর্ম ডেস্ক
১৪ জুলাই ২০২৫, ১১:৫০
অ+
অ-
মহানবী (সা.) নিজেই যে সাহাবিকে দাফন করেছিলেন

রাসুল (সা.) মাত্র কয়েকজন ব্যক্তির কবরে নেমে তাদের লাশ দাফন করেছেন, এর মধ্যে একজন আবদুল্লাহ জুল-বিজাদাইন (রা.)। তিনি আসহাবে সুফফার অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। ইসলামের জন্য তিনি নিজের পরিবার, পৈতৃক সম্পত্তি সব ছেড়ে এসেছিলেন। 

বিজ্ঞাপন

নাম

ইসলাম গ্রহণের আগে তার নাম ছিল আবদুল উজ্জা। ইসলাম গ্রহণের পর নবী মুহাম্মদ (সা.) তার নাম পরিবর্তন করে আবদুল্লাহ রেখে দেন এবং পরবর্তী সময়ে তিনি আবদুল্লাহ জুল-বিজাদাইন নামে পরিচিতি লাভ করেন। 

ইসলাম গ্রহণ

বিজ্ঞাপন

ছোটবেলায় তার বাবা মারা যান, তিনি তার চাচার কাছে বড় হন। 

আবদুল্লাহ জুল-বিজাদাইন ইসলাম গ্রহণের আগে থেকেই ইসলাম ও মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি অনুরক্ত ছিলেন। তিনি মনে মনে ইসলাম গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত ছিলেন।

রাসুল (সা.) মদিনায় হিজরত করার পর আবদুল্লাহ তার চাচার কাছে গিয়ে জানতে চান, তিনি ইসলাম গ্রহণ করবেন কি-না? তার চাচা ইসলাম গ্রহণ করতে অসম্মতি জানান। জুল-বিজাদাইন তার চাচার কাছে নিজের ইসলাম ধর্মের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং ইসলাম গ্রহণের বাসনা পোষণ করেন, সে কথাও জানিয়ে দেন। 

বিজ্ঞাপন

তার চাচা এ ঘটনায় মনঃক্ষুণ্ন হন, এ জন্য জুল-বিজাদাইনকে বাড়ি থেকে বের করে দেন এবং তাকে যেসব উট, ছাগল, ভেড়া ও ঘোড়ার মালিক বানিয়েছিলেন, সেগুলোও ফেরত নিয়ে নেন। এমনকি জুল-বিজাদাইনের সব কাপড়ও কেড়ে নেন।

এরপর জুল-বিজাদাইন তার মায়ের থেকে অল্প কিছু কাপড় নিয়ে লজ্জাস্থান ঢেকে মদিনার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। 

আরও পড়ুন

এক যুবক সাহাবিকে যে উপদেশ দিয়েছিলেন প্রিয়নবী সা.
পৃথিবীতেই জান্নাতের সুসংবাদ পেয়েছেন যে ১০ সাহাবি
মদিনার যে ৬ সাহাবি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন সবার আগে

আসহাবে সুফফায়

রাসুল (সা.) তার পুরো ঘটনা শুনে তাকে আসহাবে সুফফার অন্তর্ভুক্ত করে নেন। সেখানেই তার থাকা ও খাবারের ব্যবস্থার করে দেন। আসহাবে সুফফার অন্তর্ভুক্ত হয়ে তিনি দীর্ঘসময় কোরআন তিলওয়াত করতেন। তিনি উচ্চ স্বরে কোরআন তিলওয়াত করতে পছন্দ করতেন।

তাবুক যুদ্ধে

তিনি রাসুলের সঙ্গে তাবুক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তাবুক যুদ্ধে কোনো আর্থিক অবদান রাখতে পারেননি। তবে তিনি রাসুল (সা.)-এর কাছে এই যুদ্ধে শহীদ হওয়ার দোয়া করতে বলেন। তখন রাসুল (সা.) তার জন্য উল্টো দোয়া করেন, যেন তিনি এই যুদ্ধে কোনোভাবেই শাহাদাতবরণ না করেন। তিনি এই যুদ্ধে শাহাদতবরণ করেননি; বরং তিনি এই যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

ইন্তেকাল

তিনি তাবুক যুদ্ধের অল্প কিছু দিন পরেই জ্বরাক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তাকে রাতের বেলায় দাফন করা হয়, তার কববের পাশে আলোর বাতি নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন বিলাল (রা.), আর কবরের ভেতরে নেমেছিলেন স্বয়ং রাসুল (সা.)।  লাশ বহন করেছিলেন আবু বকর ও ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)। 

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

সাহাবিইসলামমুসলিমনওমুসলিম

ফলো করুন

MessengerWhatsAppGoogle News

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

নারী সাহাবিরা যেসব পেশায় যুক্ত ছিলেন

নারী সাহাবিরা যেসব পেশায় যুক্ত ছিলেন

স্পেনে পাহাড়চূড়ায় ১০০০ বছরের ইসলামী ঐতিহ্যের সাক্ষী যে মসজিদ

স্পেনে পাহাড়চূড়ায় ১০০০ বছরের ইসলামী ঐতিহ্যের সাক্ষী যে মসজিদ

বদর যুদ্ধে বিজয়ের মধ্যেই যে দুঃসংবাদ পেয়েছিলেন সাহাবিরা

১৭ রমজানবদর যুদ্ধে বিজয়ের মধ্যেই যে দুঃসংবাদ পেয়েছিলেন সাহাবিরা

মুসলমানরা বদর যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছিলেন যে ৪ কারণে

মুসলমানরা বদর যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছিলেন যে ৪ কারণে