ইউরোপের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে ৩ তারকা ক্রিকেটার, খেলা কবে-কখন-কীভাবে

প্রতিনিয়ত ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের জনপ্রিয়তা বাড়ছে বিশ্বজুড়ে। ক্রিকেটে এখনও সেভাবে স্থায়ী আসন গাড়তে না পারা ইউরোপেও এবার সেই হাওয়া লাগতে যাচ্ছে। বেলজিয়ামে আয়োজন করা হবে ইউরোপীয় টি-টোয়েন্টি লিগ (ইইউ টি২০)। ইতোমধ্যে তাদের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকান তারকা রসি ভ্যান ডার ডুসেন এবং শ্রীলঙ্কার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা।
আগামী ৩০ মে থেকে ৭ জুন বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে হতে পারে ইইউ টি২০ লিগ। প্রায় একই সময়ে চলবে ইংল্যান্ডের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ ভাইটালিটি ব্লাস্ট। ডেস্টিনো লেজেন্ডস স্পোর্টস এলএলসির সঙ্গে যৌথভাবে ইউরোপীয় টুর্নামেন্টের আয়োজক ক্রিকেট বেলজিয়াম। লিগটির মান উন্নত রাখতে পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর ক্রিকেটার এবং টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে অভিজ্ঞদের প্রাধান্য দেওয়া হবে।
তিন তারকা ক্রিকেটারের সঙ্গে সরাসরি চুক্তি স্বাক্ষরের পাশাপাশি ইইউ টি২০ লিগের দূত করা হয়েছে ইংল্যান্ডের সাবেক বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইয়ন মরগানকে। এ ছাড়া গত ২৬ ডিসেম্বর থেকে নাম নিবন্ধন শুরু হয় ইউরোপীয় লিগটিতে, আয়োজকদের দাবি– ৪৮ ঘণ্টায় ২০০–এর অধিক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার তাদের নাম জমা দিয়েছেন। ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগটি অনুষ্ঠিত হবে ৬ দলের অংশগ্রহণে, বেলজিয়ামের বিভিন্ন শহরের নামে হবে দলগুলো– অ্যান্টওয়ার্প, ব্রুজেস, লভেন, লিয়েজ, ঘেন্ট ও ব্রাসেলস। তবে ম্যাচগুলো এক শহরে নাকি ভিন্ন ৬ ভেন্যুতে হবে তা এখনও নিশ্চিত নয়।
সম্ভাব্য ড্রাফটের জন্য সাতটি ক্যাটাগরিতে খেলোয়াড়দের ভাগ করা হবে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ মানের ‘আইকন’ ক্যাটাগরিতে ৫০টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে ১৫০টি ম্যাচ খেলেছেন এমন পূর্ণ সদস্য দেশের ক্রিকেটারদের রাখা হবে। এমনকি গত ২ বছরেই অন্তত ৫০টি ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে হবে তাদের। এরপর ‘প্লাটিনাম’ ক্যাটাগরিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বড় মুখের স্থান দেওয়া হবে। ন্যূনতম ৪০টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি, পূর্ণ সদস্য দেশে ১২০টি ফ্র্যাঞ্চাইজি ম্যাচ এবং গত ২৪ মাসে সর্বনিম্ন ৪০ ওভার খেলতে হবে তাদের।
এভাবে ‘এ+’, ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ এবং বেলজিয়ামের ক্রিকেটারদের নিয়ে বাকি ক্যাটাগরিগুলো সাজানো হবে। এ+ ক্যাটাগরিতে ৩৫টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ও ১০০ ফ্র্যাঞ্চাইজি ম্যাচ, এ ক্যাটাগরিতে ৩০টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ও ৭৫ ফ্র্যাঞ্চাইজি ম্যাচ এবং বি ক্যাটাগরিতে ২০টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ও ৫০ ফ্র্যাঞ্চাইজি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এই তিন ক্যাটাগরির ক্রিকেটারদের হতে হবে পূর্ণ সদস্য দেশের।
এ ছাড়া সি ক্যাটাগরিতে পূর্ণ সদস্য এবং সহযোগী দেশের খেলোয়াড়কেও ন্যূনতম ১০টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে ২৫টি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা থাকা আবশ্যক। বেলজিয়ামের যেসব ক্রিকেটার ড্রাফটের জন্য বাছাইকৃত হবেন, তাদেরও ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
এএইচএস