বাংলাদেশ অপরিবর্তিত, র্যাঙ্কিংয়েও ইতিহাস গড়ল সেনেগাল-মরক্কো

২০২৫ সালের নভেম্বরের পর ফিফার আর কোনো উইন্ডো ছিল না। ফলে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে ১৮ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচটি খেলেছে বাংলাদেশ পুরুষ দল। দীর্ঘ ২২ বছর পর ওই ঐতিহাসিক জয়ে ৯ বছরের মধ্যে সেরা (১৮০তম) অবস্থানে উঠেছিলেন হামজা-জামালরা। সেই অবস্থান যেমন ডিসেম্বরে অপরিবর্তিত ছিল, তেমনি গতকাল (সোমবার) প্রকাশিত র্যাঙ্কিংয়েও কোনো নড়চড় হয়নি।
ফিফার সর্বশেষ হালনাগাদকৃত র্যাঙ্কিংয়েও ১৮০তম অবস্থানে আছে বাংলাদেশ। একইভাবে ফিফার উইন্ডো না থাকায় শীর্ষস্থানে থাকা দলগুলোও আগের অবস্থানে রয়েছে। শীর্ষে পাঁচে অবস্থান করছে যথাক্রমে– স্পেন, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, ইংল্যান্ড ও ব্রাজিল। যথারীতি পর্তুগাল এবং নেদারল্যান্ডসও ছয়-সাতে অনড় আছে।
৮ নম্বর থেকে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের অবস্থানে পরির্তন দেখা যাচ্ছে। তাতে প্রভাব রেখেছে মূলত সম্প্রতি শেষ হওয়া আফ্রিকা কাপ অব নেশন্স (আফকন)। মহাদেশীয় এই প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সাদিও মানের সেনেগাল। নাটকীয় ও রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে তারা মরক্কোকে ১-০ ব্যবধানে হারায়। দুই দলই র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি করেছে। ফলে অবস্থান বদলে গেছে শীর্ষ দশ থেকে নিচের দিকে থাকা দলগুলোর।
মরক্কো এবার নিজেদের ইতিহাসে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে উঠে এসেছে। ৩ ধাপ এগিয়ে তাদের অবস্থান অষ্টম। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠে চমক দেখানো মরক্কো এর আগে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে সর্বোচ্চ ১০ম অবস্থানে উঠেছিল ১৯৯৮ সালের এপ্রিলে। আফ্রিকা মহাদেশের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরা সেনেগাল এবারের র্যাঙ্কিংয়ে সাত ধাপ উন্নতি করে ১২তম হয়েছে। যা নিজেদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এর আগে ২০২৪ সালে সর্বোচ্চ ১৭তম হয়েছিল সাদিও মানের দেশ।
মরক্কোর উন্নতিতে এক ধাপ করে পিছিয়ে যথাক্রমে ৯-১০-১১ তে নেমে গেছে বেলজিয়াম, জার্মানি ও ক্রোয়েশিয়া। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে এবার সাত নম্বরের পর থেকে বেশিরভাগ দলের অবস্থান বদলে দেওয়ায় ভূমিকা রেখেছে আফকন। সবচেয়ে বেশি উন্নতি করেছে টুর্নামেন্টটিতে ব্রোঞ্জজয়ী (তৃতীয় স্থানধারী) নাইজেরিয়া (২৬তম) ও ক্যামেরুন (৪৫তম)। উভয় দলই সমান ১২ ধাপ করে এগিয়েছে। এ ছাড়া আলজেরিয়া ৬ (২৮তম), মিশর ৪ (৩১তম) এবং আইভরিকোস্ট এগিয়েছে ৫ ধাপ (৩৭তম)।
এএইচএস