রোদের কারণে ভুগেছেন আফিদারা

অস্ট্রেলিয়ায় আসার পর থেকে বাংলাদেশের ফুটবলররা গরমে অস্বস্তিতে ছিলেন। সপ্তাহখানেক সিডনির আবহাওয়া গরম থেকে ঠান্ডা। আজ (শুক্রবার) বাংলাদেশের ম্যাচ ছিল দুপুর ১টায়। ওই সময় একটু রৌদ্রজ্জ্বল আবহাওয়া থাকায় একটু অস্বস্তিতে পড়েছিলেন আফিদা-ঋতুপর্ণারা।
বাংলাদেশের অধিনায়ক আফিদা খন্দকার ম্যাচ পরবর্তী সময়ে মিক্সড জোনে বলেন, ‘আবহাওয়া একটু বেশি গরম ছিল, কারণ দুপুর বেলা খেলা, দুপুরের রোদটা একটু বেশি কড়া। আমরা মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছি।’ আফিদার সতীর্থ স্বপ্না রাণীও একই কথা বলেছেন।
উত্তর কোরিয়ার র্যাঙ্কিং ৯। সেখানে বাংলাদেশ ১১২তম। এত বড় দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ ৪৫ মিনিট পর্যন্ত গোলশূন্য রেখেছিল। অধিনায়ক আফিদার ফাউলের জন্য উত্তর কোরিয়া পেনাল্টি পায়। এর পরের গোলটিতেও আফিদার খানিকটা দায় রয়েছে। বলে চার্জ করবেন কি করবেন না এমন প্রশ্নের উত্তরে আফিদা তেমন কিছু বলেননি।
গোলরক্ষক মিলির উপর আজ অনেক চাপ ছিল। এ নিয়ে অধিনায়ক আফিদা বলেন, ‘উত্তর কোরিয়া র্যাঙ্কিংয়ে ৯ নম্বর দল। ওরা এরকমই খেলবে আমাদের জানা ছিল। তারপরও আমরা ফাইট করেছি। এই ম্যাচের শিক্ষা আমাদের কাজে লাগবে।’
ম্যাচটিতে বাংলাদেশ ৫-০ গোলে হেরেছে। পরাজয়ের ব্যবধান আরও বাড়তে পারত। সেটা হয়নি গোলরক্ষক মিলি আক্তারের পারফরম্যান্সে। নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে মিলি বলেন, ‘আমি যেহেতু কিপার, অনেকদিন পর সুযোগ পেয়েছি, তাই বাড়তি চেষ্টা থাকে সেরা পারফরম্যান্স দেওয়ার। টিমমেটরা সবাই সহযোগিতা করে।’ মিলি প্রথমার্ধে পায়ে ব্যথা পেয়েছিলেন। সেই ব্যথা নিয়েই দ্বিতীয়ার্ধে খেলেছেন। দু’দিন পরই উজবেকিস্তান ম্যাচ। সেই ম্যাচের আগে মিলির ব্যথা পাওয়া খানিকটা শঙ্কারও। তবে এ নিয়ে তেমন চিন্তিত নন এই গোলরক্ষক, ‘আসলে এখন আমি এটা বলতে পারছি না। স্যার কাকে খেলাবে না খেলাবে। আমি খেললে সেরাটাই দেব।’
মিলি আক্তার বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্য। সেনাবাহিনী থেকে জাতীয় দলে আসার গল্পটাও বলেছেন তিনি, ‘আমি একবার ক্যাম্প থেকে বাদ পড়েছিলাম। তারপর এক বছর বাসায় ছিলাম। তখন সেনাবাহিনী মহিলা ফুটবল দল গঠন করে। ছোটন স্যার আমাকে সাহস যোগান পুনরায় ফুটবলে আসার। এরপর লিগ হয়, সেই লিগ থেকে ক্যাম্পে পুনরায় সুযোগ পাই।’
এজেড/এএইচএস