এপ্রিলে বাফুফের রোডম্যাপ

হামজা চৌধুরি বাংলাদেশের জার্সিতে খেলার পরই ফুটবলের উন্মাদনা বেড়েছে বহুগুণে। ঋতুপর্ণারা প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপে খেলবে। উন্মাদনা ও সাফল্য আসলেও বাফুফের সুনির্দিষ্ট কোনো রোডম্যাপ নেই। আগামী কয়েক বছর পর বাংলাদেশের ফুটবল কোথায় যাবে এবং কীভাবে পৌঁছাবে।
তাবিথ আউয়ালের নেতৃত্বে বাফুফের বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটি ২০২৪ সালের ২৬ অক্টোবর নির্বাচিত হয়। চার বছরের কমিটির মেয়াদ ইতোমধ্যে এক বছর শেষ। ফুটবলের এত উন্মাদনা ও সম্ভাবনার মধ্যেও ফেডারেশন কোনো সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ করেনি। টুর্নামেন্ট সামনে রেখেই অ্যাডহক ভিত্তিতেই চলে ক্যাম্প ও প্রস্তুতি।
আজ বাফুফের অনাবাসিক একাডেমিদের নিয়ে এক দিনের ফুটবল উৎসব হয়। সেই উৎসবে বাফুফের ডেভলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান ও অন্যতম সহ-সভাপতি নাসের শাহরিয়ার জাহেদী বলেন, ‘রোডম্যাপ নিয়ে নির্বাহী কমিটি থেকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আগামী এপ্রিল মাসে আমরা এটি প্রকাশ করতে পারব। আগামী দিনগুলোতে আমরা ফুটবলের পথ চলা কী রকম হবে এবং কীভাবে চলবে এই বিষয়গুলো থাকবে।’
ফুটবল অত্যন্ত জনপ্রিয় খেলা। ঢাকায় পড়াশোনার পাশাপাশি নির্মল আনন্দ ও ফিট থাকার জন্য অনেক অভিভাবক বাচ্চাদের ফুটবল শেখাতে চান। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে বাফুফে গত দুই বছর আগে অনাবাসিক একাডেমি শুরু করে। আজ ৮-১০, ১০-১৪ ও ১৫-১৬ তিন বয়স শ্রেণীতে মোট ১২০ জন ফেস্টিভ্যালে অংশ নেয়। এ সময় অনেক অভিভাবকও ছিলেন। সামান্য ফি’র মাধ্যমে ক্ষুদে ফুটবলাররা বাফুফের প্রশিক্ষণ নেন। আজকের অনুষ্ঠানে অভিভাবকরা সুযোগ-সুবিধার অপ্রতুলতার বিষয়টি তুলে ধরেন।
বাফুফের ডেভলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান অভিভাবকদের আশ্বাস দিয়ে বলেন, ‘এই টার্ফে মাঝে সংস্কার হয়েছে। এখন আবার শুরু হয়েছে। আমরা ফ্যাসিলিটিজ আরো বাড়াব। ফুটবলের চর্চা সারা দেশ ব্যাপী ছড়িয়ে দেব। ৩১৭ একাডেমির মধ্যে ১৭ টি টু স্টার বাকিগুলো ওয়ান স্টার। সেই সকল একাডেমিগুলোতে আমরা কোচ দিয়ে সহায়তা করতে চাই।’
ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন। মার্চে রোজা ও ঈদ। এই দুই মাস ডেভলপমেন্ট সংক্রান্ত তেমন কোনো কর্মসূচি থাকছে না। এপ্রিল থেকে প্রতি মাসেই একটি প্রোগাম থাকবে।
এজেড/এইচজেএস