ডাচ বধের ম্যাচে যত রেকর্ড হলো ফাহিম ও পাকিস্তানের

লক্ষ্য ছিল ১৪৮ রানের। নেদারল্যান্ডসকে অল্পতেই গুটিয়ে দিয়ে সহজ জয়ের প্রত্যাশায় ব্যাটিং করতে নামে পাকিস্তান। কিন্তু এক পর্যায়ে ম্যাচটা হাতছাড়া করতে বসেছিল তারা। তবে ফাহিম আশরাফ রক্ষাকর্তা রূপে আবির্ভূত হলেন। ডাচদের হাত ফসকে জীবন পেলেন, তারপর তিন বল হাতে রেখে ৩ উইকেটে জেতালেন তিনি।
পাকিস্তান লক্ষ্যে নেমে সহজ জয়ের আভাস দিয়েছিল। দশ ওভারে তাদের স্কোর ছিল ২ উইকেটে ৯০ রান। সাহিবজাদা ফারহান (৩১ বলে ৪৭ রান) ছিলেন দারুণ অবস্থায়। সাইম আইয়ুব ১৩ বলে ২৪ রান করে পাওয়ার প্লেতে উড়ন্ত সূচনা করেন।
কিন্তু ১২তম ওভারে পল ফন মিকেরেন ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন দুটি উইকেট নিয়ে। ২ উইকেটে ৯৮ রান করা পাকিস্তানের স্কোর হঠাৎ করে ৯৮-৪ হয়ে যায়। মাঝের ওভারে বিপর্যয়ের শিকার হয়ে এক পর্যায়ে পাকিস্তানের স্কোর ছিল ৭ উইকেটে ১১৪। ম্যাচটা হাতের মুঠোয় রেখেছিল নেদারল্যান্ডস।
শেষ ১২ বলে দরকার ছিল ২৯ রান। ফাহিম আশরাফ তিন ছয় ও চারে ১৮তম ওভারে ২৪ রান তোলেন। ১৯তম ওভারের প্রথম বলেই ছক্কা মারেন তিনি। পরের বলে লং অনে ম্যাক্স ও’ডাউডের হাত ফসকে জীবন পেয়ে ফাহিম বাকি তিন বলে আরও দুটি ছক্কা ও এক চারে ডাচদের কাছ থেকে ম্যাচ কেড়ে নেন। ১১ বলে ২ চার ও তিন ছয়ে ২৯ রান করে ম্যাচসেরা হয়েছেন তিনি।
এই রোমাঞ্চকর জয়ে ফাহিম ও পাকিস্তান চারটি রেকর্ড ভেঙেছেন:
১৯তম ওভারে ফাহিম ২৪ রান তোলেন, যা কোনো পাকিস্তানি ব্যাটার হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এক ওভারে যৌথভাবে সর্বোচ্চ রান।
শেষ ১২ বলে পাকিস্তানের দরকার ছিল ২৯ রান। পাকিস্তান এর আগে কখনো টি-টোয়েন্টিতে শেষ দুই ওভারে এত রান করে জিততে পারেনি।
বিশ্বকাপে রান তাড়া করতে নেমে আট বা তার নিচের পজিশনে কোনো ব্যাটার হিসেবে ফাহিম তৃতীয় সেরা রান করেছেন।
পাকিস্তান ৯টি ক্যাচ নিয়েছে, যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এক ম্যাচে তাদের সর্বোচ্চ।
এফএইচএম/