এবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য ম্যাচসেরা খালেদের

অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপে গতকাল (শনিবার) লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে দুরন্ত একাদশকে ৭ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে দুর্বার একাদশ। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ লিটন দাসের ধূমকেতু একাদশ। এদিকে, ২ ম্যাচের মধ্যে দুটিতেই হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিলো দুরন্ত। তাদের বিদায় নিশ্চিতের ম্যাচে ৪ উইকেট নিয়ে খালেদ আহমেদ।
দুর্বারের হয়ে ম্যাচসেরা হওয়া খালেদের নজর এখন শিরোপায়, ‘সাদা-লাল (উভয়) বলেই আমি সবসময় উপভোগ করি। তাহলে ভেতর থেকে আসে খেলাটা। আমার চেষ্টা থাকে যেন উপভোগ করতে পারি। এখানেও জাতীয় দলের সবাই খেলেছে, (যারা) টি-টোয়েন্টিও খেলে। হয়তো এখন খেলছে না, তবে সবাই অভিজ্ঞ। আমাদের দলও অনেক ব্যালেন্সড। বোলিং লাইনআপ শক্ত, আমার মনে হয়। ৯ ফেব্রুয়ারি ফাইনালে চেষ্টা থাকবে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার।’
পরে নিজের বোলিং পরিকল্পনা নিয়ে ডানহাতি এই পেসার বলেন, ‘আমার চেষ্টা ছিল লেংথে হিট করার। সে (জাওয়াদ আবরার) ছোট ছেলে, প্রথম বলে সুন্দর খেলেছে। জিজ্ঞেস করলাম পরের বলেও কেন মারতে গেলা? বলেছে মারতে যাই নাই, আস্তে লেগে চলে গেছে। আমি বললাম যদি এমন বল একটা মারতে পারো পরেরটা মারার মতো না হলে ধরে খেইলো আরকি। লেংথে হিট করাই ছিল প্ল্যান। সে যেরকম ব্যাটার, ওকে এলোমেলো বল করলে মেরে দেবে। তাই স্ট্যাম্প টু স্ট্যাম্প বল করার চেষ্টা ছিল।’
ইমার্জিং ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্রিকেটারদের নিয়ে সাজানো হয়েছিল দুরন্ত’র একাদশ। ভবিষ্যতে তারা ভালো করবে বলে প্রত্যাশা খালেদের, ‘গত ম্যাচে ২ ওভারে ২২ রান খেয়ে (হজম) গেলাম, অনেকে মজা নিয়েছে। আজকে আমি বলে আসছি ভালো খেলব, স্যারকেও (কোচ) বলেছিলাম। ওরা (দুরন্ত) কিন্তু এখনও শিখছে। সুন্দর প্ল্যাটফর্ম পেয়েছে, দেখানোর অনেক কিছু ছিল হয়তো পারে নাই। তবে অনেকেই বলেছে সামনে সুযোগ পেলে আরও শক্ত হয়ে আসব। ওদের সাহস অনেক, স্কিলেও ভালো। মাত্র অনূর্ধ্ব-১৯ থেকে এসেছে, এইচপিতে হয়তো যাবে। এখানে স্কিলে ঝালাই করলে সামনে আরও ভালো করবে আরকি।’
এসএইচ/এএইচএস