শূন্যে ভেসে অবিশ্বাস্য ক্যাচ, জন্টি রোডস বনে গেলেন নিশাঙ্কা!

ক্রিকেটে কেউ দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে ম্যাচ জেতান, কেউ বা বল হাতে। কিন্তু এমন একজন ছিলেন, যিনি শুধু ফিল্ডিং দিয়েই ম্যাচের গতিপথ বদলে দিতে পারতেন। তিনি জন্টি রোডস। ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা ফিল্ডার হিসেবে যার নাম আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হয়।
১৯৯২ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে সেই আইকনিক ডাইভিং রানআউট। দৌড়ে এসে স্টাম্প ভেঙে দিয়ে ইনজামাম উল হককে সাজঘরে পাঠান জন্টি রোডস। সেই মুহূর্তটি শুধু ম্যাচ নয়, বদলে দেয় ফিল্ডিং নিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটের ধারণা। তখন থেকেই বোঝা যায়, ফিল্ডিং কেবল সহায়ক দক্ষতা নয়, এটি নিজেই একটি অস্ত্র।
এবার যেন সেই সাবেক প্রোটিয়ার ক্রিকেটারকেই স্মরণ করালেন লঙ্কান ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা। মাঠে তখন চলছিল নাটকীয় মুহূর্ত। আগের ওভারেই ম্যাক্সওয়েলের সহজ ক্যাচ ফেলে দেন পাথুম। কিন্তু পরের ওভারেই যেন সব পুষিয়ে দিলেন দুর্দান্ত এক ক্যাচে। শ্রীলঙ্কার এই ফিল্ডারের অবিশ্বাস্য লাফানো ক্যাচে আউট হন ম্যাক্সওয়েল।
দুশান হেমন্তার ফ্লাইটেড ডেলিভারি অফ স্টাম্পের বাইরেই ছিল। ম্যাক্সওয়েল হাঁটু গেড়ে বসে রিভার্স সুইপ খেলেন। ব্যাটে ভালোভাবে লাগায় মনে হয়েছিল বল বাউন্ডারি পেরিয়ে যাবে। কিন্তু ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকা নিশাঙ্কা হাওয়ায় ভেসে নিখুঁত টাইমিংয়ে বলটি তালুবন্দি করেন।
খানিক সময়ের জন্য যেন স্তব্ধ হয়ে যায় স্টেডিয়ামের। এরপরই গ্যালারীতে শুরু হয় লঙ্কান সমর্থকদের উল্লাস। আর মাঠে নিশাঙ্কাকে নিয়ে আনন্দে মেতে ওঠে সতীর্থরা। ১৫ বলে ২২ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন ম্যাক্সওয়েল। এই ব্যাটার ফেরার পর রানের গতি মন্থর হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়ার। দুর্দান্ত শুরুর পরও শেষ পর্যন্ত ১৮১ রানে থামে তাদের ইনিংস।
এমএমএম/