পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড ম্যাচে বৃষ্টির শঙ্কা, খেলা না হলে কী হবে?

পাকিস্তান বনাম নিউজিল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে আজ (শনিবার) থেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট রাউন্ড শুরু হবে। দুটি দলই গ্রুপপর্বে তিনটি করে ম্যাচ জিতে এসেছে। তবে মেগা টুর্নামেন্টটির আরও বড় লক্ষ্যের পথে যেতে তাদের এবারের চ্যালেঞ্জ তুলনামূলক বেশি। ফলে প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ শেষ আটে জায়গা পাওয়া দলগুলোর জন্য। এমন ম্যাচে নামার আগে আবহাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকতে হচ্ছে পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ডকে।
কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ম্যাচটি শুরু হবে। শ্রীলঙ্কার আবহাওয়া সবসময়ের মতো এদিনও কপালে চিন্তার ভাঁজ নিয়ে আসতে পারে। কলম্বোর আকাশে এদিনও মেঘের ঘনঘটা এবং বিকেলের দিকে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। এ ছাড়া উষ্ণ ও আদ্র বায়ু প্রবাহিত হতে পারে। এমনকি টসের সময় বজ্রসহ বৃষ্টিরও আভাস দিয়েছে আবহাওয়া বিষয়ক ওয়েবসাইটগুলো।
পরবর্তী সময়ে বাড়তে পারে বৃষ্টির মাত্রা। সেরকম কিছু ঘটলে দুর্ভাগ্যজনকই হবে ক্রিকেটভক্তদের জন্য। কারণ বিশ্বকাপের অন্যতম রোমাঞ্চকর ম্যাচ উপহার দিতে পারে পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড। যদিও শ্রীলঙ্কার আবহাওয়া পাকিস্তানের মতোই অনিশ্চিত। এর আগে ১৫ ফেব্রুয়ারি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে লড়েছিল সালমান আলি আগার দল। সেদিনও আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে কলম্বোয় বৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছিল। তবে তার লেশমাত্রও ছিল না ম্যাচে, ফলে নির্বিঘ্নে পুরো ম্যাচ সম্পন্ন হয়। বৃষ্টির জন্য গতকাল পাকিস্তানের অনুশীলনে বিঘ্ন ঘটে।
এদিকে, বৃষ্টিতে ম্যাচটি ভেস্তে গেলে কোনো সুপার ওভার বরাদ্দ নেই। সুপার এইটের সব ম্যাচের জন্যই নিয়ম একই। প্রত্যেক দল ন্যূনতম ৫ ওভার খেলতে না পারলে ম্যাচ পরিত্যক্ত এবং উভয় দল একটি করে পয়েন্ট ভাগাভাগি করবে। পয়েন্ট ভাগাভাগি হলে সেটি প্রভাব রাখতে পারে দলগুলোর সেমিফাইনালে ওঠার সমীকরণে। এ ছাড়া প্লেয়িং কন্ডিশন অনুযায়ী– নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ৯০ মিনিট করে বরাদ্দ রয়েছে এসব ম্যাচে।
কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম বরাবরই স্পিন-বান্ধব। উইকেট যে স্পিনারদেরই সহায়তা করবে সেটি সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতেও দেখা গেছে। পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড দু’দলেরই স্পিন বিভাগে যথেষ্ট বিকল্প আছে, তবে তুলনামূলক ছন্দে থাকা পাক স্পিনাররা অধিক সুবিধা পেতে পারে। ভারত ম্যাচেও স্পিনারদের দাপট দেখা গিয়েছিল। সঙ্গে প্রেমাদাসার মন্থর উইকেট নিউজিল্যান্ডের জন্য দুশ্চিন্তার আরেকটি কারণ হতে পারে। বিশেষত তারা প্রথম রাউন্ডের চার ম্যাচই খেলেছে ভারতে। চেন্নাই আর আহমেদাবাদে খেলে এসে প্রেমাদাসার মন্থর উইকেটের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া কঠিন হতে পারে ব্যাটারদের জন্য।
টি-টোয়েন্টিতে এ নিয়ে ৫০তম ম্যাচে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ড। দুই দলের এই দ্বৈরথে কিছুটা এগিয়ে মেন ইন গ্রিনরা, তাদের জয় ২৪টি। বিপরীতে ব্ল্যাকক্যাপরা ২৩ ম্যাচে জিতেছে। বাকি দুই ম্যাচে কোনো ফলাফল আসেনি।
এএইচএস