শোয়েব মালিকের ‘চতুর্থ’ বিয়ের গুঞ্জন, ক্ষিপ্ত পাক তারকা

ভারতীয় টেনিস তারকা সানিয়া মির্জার সঙ্গে বিবাহ-বিচ্ছেদের পর স্বদেশি মডেল-অভিনেত্রী সানা জাভেদকে বিয়ে করেছিলেন পাকিস্তানের সাবেক তারকা ক্রিকেটার শোয়েব মালিক। কথিত আছে– এটি তার তৃতীয় বিয়ে। সানিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদের ঘটনায় শোয়েব মিশ্র প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়েছিলেন। এদিকে, সম্প্রতি তিনি আবারও বিয়ে করেছেন বলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে। সেই গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন এই অলরাউন্ডার।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জনে এক ইনফ্লুয়েন্সার ভানিজা সাত্তারের সঙ্গে মালিকের নাম জড়িয়ে দাবি করা হয়, তিনি চতুর্থবারের মতো বিয়ে করেছেন। যা নিয়ে গতকাল (শনিবার) সন্ধ্যায় ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে শোয়েক মালিক লিখেছেন, ‘অনুমতি ও যাছাই ছাড়াই আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে গল্প লেখা হয়েছে। যেসব বিষয়ে আমার স্ত্রীর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই, সেসব নিয়ে তাকে নেতিবাচক মন্তব্যের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। যা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য।’
সানিয়া মির্জার আগে আয়েশা সিদ্দিকির সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল মালিকের। আট বছরের সেই দাম্পত্য সম্পর্ক ভেঙেছে ২০১০ সালে। সেই হিসেবে সানার সঙ্গে বিয়ে ছিল তৃতীয়। তবে সেটিকে দ্বিতীয় বিয়ে বলে উল্লেখ করে মালিক বলছেন, ‘পরিবারের প্রতি সম্মান রেখে আমি সবসময়ই ব্যক্তিগত জীবনকে আড়ালে রাখতে চেয়েছি। কিন্তু আমার নীরবতাকে অনেকে সুযোগ হিসেবে নিয়েছে। দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকে এমন ব্যক্তিদের সঙ্গে আমাকে জড়িয়ে সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে, যাদের সঙ্গে আমার কখনও পরিচয়ই হয়নি। অনুমতি ছাড়া আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যাচাইহীন গল্প লেখা হয়েছে। আমার স্ত্রীর বিরুদ্ধে নেতিবাচক মন্তব্য করা হয়েছে, যা মেনে নেওয়া যায় না।’
সানিয়া-মালিকের ঘরে রয়েছে সন্তান ইজহান মালিক। ছেলে এখন সেসব খবর পড়ার মতো বয়সে উপনীত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন সাবেক এই পাকিস্তানি অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘সে এমন বয়সে পৌঁছেছে, ফলে সে এসব মিথ্যা ও মনগড়া গল্প পড়তে পারে। কয়েকটি লাইক ও ভিউয়ের জন্য, সামান্য আয়ের আশায় এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে, যা আমার প্রিয়জনদের কষ্ট দিচ্ছে। আমি বা অন্য কারও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভুয়া তথ্য না ছড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি।’

এভাবে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের দায়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শোয়েব মালিক, ‘জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে সমর্থনের পাশাপাশি সমালোচনাও আসবে, তা আমি বুঝি। কিন্তু এরও একটি সীমা আছে। ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপ বা সুনাম ক্ষুণ্ন করার মাধ্যমে সেই সীমা অতিক্রম করে। দায়িত্বশীল আচরণ করুন, কিছু লাইক ও ভিউয়ের বাইরেও জীবনে অনেক কিছু আছে। আপনাদের মতো আমারও একটি পরিবার আছে। আশা করি বার্তাটি ইতিবাচকভাবে নেওয়া হবে এবং আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অনুমান বা রসিকতা বন্ধ হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আমার টিম কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেবে।’
এএইচএস