ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের গত আসরে সুবিধা করতে না পারলেও উয়েফা ইউরোপা লিগের ফাইনালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল টটেনহ্যাম হটস্পার। মৌসুম পার হতেই ছন্দ হারিয়েছে ইংলিশ এই ক্লাবটি। পয়েন্ট টেবিলের শেষের দিকে থাকা টটেনহ্যাম পড়েছে রেলিগেশনের শঙ্কায়।
বিজ্ঞাপন
বিগত বছরগুলোতে প্রিমিয়ার লিগের ভালো কয়েকটি দলের মধ্যে একটিই ছিল টটেনহ্যাম। ২০১০ সালের পর থেকে হিসেব করলে সেরা ছয়ে মৌসুম শেষ করার তালিকায় ম্যানচেস্টার সিটি এবং আর্সেনালের সঙ্গে শীর্ষেই অবস্থান তাদের। তিনটি ক্লাবই ১০ বার করে সেরা ছয়ে থেকে মৌসুম শেষ করেছে।
বিগত বছরগুলো যে দল শিরোপার কথা মাথায় রেখেই ফুটবল মাঠে খেলতে নামতো, তারা এবার প্রার্থনা করছে রেলিগেশন এড়ানোর জন্য। চলতি মৌসুমের ৩১ পর্ব শেষে নিজেদের ঝুঁলিতে মাত্র ৩০ পয়েন্ট যোগাড় করতে পেরেছে টটেনহ্যাম। আছে পয়েন্ট টেবিলের ১৮তম স্থানে। তাদের পেছনে অবস্থান বার্নলি ও উভসের।
অবশ্য টটেনহ্যামের চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে থাকা ওয়েস্ট হ্যাম খেলেছে একটি বেশি ম্যাচ। তারা এগিয়ে আছে দুই পয়েন্ট ব্যবধানে। ফলে ম্যাচ জিতলেই ওয়েস্ট হ্যামকে পেছনে ফেলে এক ধাপ এগিয়ে আসবে তারা।
বিজ্ঞাপন
তবে এক ধাপ এগোলেও ভয় কিন্তু কাটছে না টটেনহ্যামের। একদম নিশ্চিন্তে থাকতে হলে শেষ সবগুলো ম্যাচই জিততে হবে তাদের। হার কিংবা ড্র হলেই সুযোগ নিতে পারে ওয়েস্ট হ্যাম। আর তারা নিজেদের শেষ সবগুলো ম্যাচে জিতলেই টিকে যাবে প্রিমিয়ার লিগে। অন্যদিকে চ্যাম্পিয়নশিপে নেমে যাবে টটেনহ্যাম।
১৯৭৬-৭৭ মৌসুমে শেষবার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ থেকে দ্বিতীয় ডিভিশনে নেমে গিয়েছিল টটেনহ্যাম। পরের মৌসুমেই আবারও প্রিমিয়ার লিগে ফেরে তারা। এরপর থেকে নিয়মিত প্রতিটি মৌসুমে ক্লাবটি খেলে আসছে প্রিমিয়ার লিগে। টটেনহ্যাম এখন পর্যন্ত মোট চারবার প্রিমিয়ার থেকে ছিটকে গেছে। প্রথমবার তারা রেলিগেশনে গেছে ১৯১৪-১৪ মৌসুমে। এরপর ১৯২৭-২৮ এবং ১৯৩৪-৩৫ মৌসুমে। আর শেষবার ১৯৭৬-৭৭ মৌসুমে তারা দ্বিতীয় বিভাগে নেমে যায়।
এমএমএম/
