বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রস্তুত, ইসির অনুমোদনের অপেক্ষায় জকসু নির্বাচন
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের নির্ধারিত তারিখ ঘোষণা হলেও এখন পর্যন্ত আটকে আছে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চূড়ান্ত বার্তার অপেক্ষায়। আগামী ৬ জানুয়ারি নির্বাচনকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন তাদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
এরই মধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইসিকে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হলেও নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়ে ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি।
বিজ্ঞাপন
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট কোনো বার্তা না পাওয়ায় উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আজ (রোববার) বিকেল তিনটায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি জরুরি সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করেছে। ওই সভায় জকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক সিন্ডিকেট সদস্য জানিয়েছেন, নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে বড় কোনো বাস্তব বাধা নেই। তাদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা চাইলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) তা দিতে বাধ্য।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. শেখ গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে নির্বাচন আয়োজনের জন্য আমরা সিএসসি বরাবর আবেদন করেছি। সিএসসি থেকে ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে তারা নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ডিএমপি কমিশনারের কাছে আবেদন করেছেন।’
বিজ্ঞাপন
সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেন, ‘জকসু নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে আমরা সম্পূর্ণ আশাবাদী। নির্বাচন নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের চাপ বা প্রতিবন্ধকতা অনুভব করছি না। নির্বাচন কমিশন ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।’ তিনি এই নির্বাচনে সকল শিক্ষার্থী ও প্রার্থীদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতির বিষয়ে কথা বলতে ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা শরফুদ্দীন আহমেদ চৌধুরীর সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জকসু নির্বাচনের নিরাপত্তার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
এমএল/বিআরইউ