টানা তিন কার্যদিবস পতনের পর বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) পুঁজিবাজারে সূচকের উত্থান হয়েছে। এদিন সূচকের পাশাপাশি বেড়েছে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দামও। তবে কমেছে লেনদেনের পররিমাণ।

দিনভর সূচক ওঠানামা শেষে এদিন দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছে মাত্র ৮৮৭ কোটি টাকা। আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয়েছে ২৪ কোটি টাকা। এর আগে ডিএসইতে গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর লেনদেন হয়েছিল ৭৩৫ কোটি ৩৭ লাখ ৪৭ হাজার টাকা। অর্থাৎ চলতি বছরের মধ্যে বুধবার পুঁজিবাজারে সর্বনিম্ন লেনদেন হয়েছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বুধবার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, বস্ত্র এবং ‍ওষুধ খাতের শেয়ারের দাম বেড়েছে। আর তাতে গত তিন-চারদিন ধরে শেয়ার বিক্রির প্রবণতায় থাকায় ক্রেতার তুলনায় বিক্রেতার উপস্থিতি কম ছিল। এ কারণে সূচক বাড়লেও লেনদেন কম হয়েছে।

ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, বুধবার ডিএসইতে ৩৭৯ প্রতিষ্ঠানের ১৯ কোটি ৬৪ লাখ ৮৫ হাজার ৩০৩টি শেয়ার ও ইউনিট কেনাবেচা হয়েছে। এর মধ্যে ১৮৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, কমেছে ১৩৫টির, অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৯টির দাম।

তাতে ডিএসইর প্রধান সূচক ৩০ দশমিক ৭৬ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৯৪৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ডিএসইএক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে বেড়েছে ৩ দশমিক ৩২ পয়েন্ট এবং ডিএস-৩০ সূচক বেড়েছে ১৪ দশমিক ১৩ পয়েন্ট।

ডিএসইতে এদিন লেনদেন হয়েছে ৮৮৭ কোটি ৮৫ লাখ ২ হাজার টাকার শেয়ার। এর আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৯০৮ কোটি ৮২ লাখ ৪৮ হাজার টাকার শেয়ার; যা আগের দিনের চেয়ে কিছুটা কম।

এদিন সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকো লিমিটেডের শেয়ার। এরপর ছিল আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, ওরিয়ন ফার্মা, বিএসসি, ডিএসএসএল, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ফরচুন সুজ, সোনালী পেপার, এপেক্স স্পিনিং এবং লাফার্জহোলসিম লিমিটেড।

একই দিন অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৮২ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট বেড়ে ২০ হাজার ৩১৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

সিএসইতে ২৮৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৬৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে, কমেছে ৮৪, অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৯টির দাম। এ বাজারে লেনদেন হয়েছে ২৪ কোটি ৪৬ লাখ ১৬ হাজার ৪৩৪ টাকার শেয়ার। এর আগের লেনদেন হয়েছিল ২৪ কোটি ৪২ লাখ ৩০ হাজার ৪১৩ টাকার শেয়ার।

এমআই/এসএম