মেঘে মেঘে বেলা গড়িয়েছে অনেক। ক্লাবের কোচ হয়ে আর কতদিন? বার্সেলোনা, বায়ার্ন মিউনিখ মিলিয়ে কাটিয়েছেন ছয় বছর। এরপর পেপ গার্দিওলা ম্যানচেস্টার সিটির কোচিং করাচ্ছেন আজ পাঁচ বছর ধরে। সিটির পরই যতি টানতে চান ক্লাব ক্যারিয়ারে, এরপর জাতীয় দলের পালা। স্প্যানিশ এই কোচ এরপর এমন ইঙ্গিত দিলেন, যাতে মনে হচ্ছে ব্রাজিল আর্জেন্টিনা বা স্পেন, এদের কারো কোচিং করানোর সম্ভাবনাই বেশি! 

তার আগে একটু বিশ্রাম অবশ্য চাইছেন সাবেক বার্সেলোনা কোচ। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে বললেন, ‘সাত বছর এই দলে আছি। এরপর একটু থামতে চাই। একটা বড় সময় এক জায়গায় থাকার পর একটু বিশ্রাম নিতে চাইছি আমি। আমি কী করেছি, কী করা উচিত ছিল তা দেখতে চাই, অন্য কোচেদের কাছ থেকেও শিখতে চাই।’

পেপ গার্দিওলার এই বিশ্রাম নেওয়া, অন্যদের কাছ থেকে শেখার এই প্রক্রিয়া অবশ্য নতুন কিছু নয়। খেলোয়াড়ি জীবনের শেষেও এমন বিশ্রাম নিয়েছিলেন, দিগ্বিদিক ঘুরে দীক্ষা নিয়েছেন বিভিন্ন কোচের কাছ থেকে। তেমন কিছু কি তবে এবারও? সেটা নাহয় সময়ই বলে দেবে।

তবে এরপর? ৫০ বছর বয়সী গার্দিওলা জানালেন, এরপরের গন্তব্যটা হতে পারে কোনো জাতীয় দলে। তবে তার জন্যে অবশ্যই সুযোগ আসতে হবে তার কাছে। তিনি বললেন, ‘জাতীয় দলের কোচিং করানো হলো পরবর্তী ধাপ। অবশ্য যদি তেমন সুযোগ আসে আরকি। সেটা করতে ভালোই লাগবে আমার। একটা দক্ষিণ আমেরিকান দলের কোচ হয়ে কোপা আমেরিকা, একটা ইউরোপীয় দলের কোচিংয়ের... এমন সব অভিজ্ঞতা চাই আমি।’

এর আগেও গার্দিওলার ব্রাজিল দলের কোচ হওয়ার গুঞ্জন রটেছিল ভালোই। তাহলে কি সেই দলটা ব্রাজিল? গার্দিওলা অবশ্য সম্ভাবনা দেখছন না তেমন। বললেন, ‘তবে আমার মনে হচ্ছে না ব্রাজিলে হবে। কারণ সেখানের কোচ হয় সাধারণত একজন ব্রাজিলিয়ান। কোনো বিদেশি তাদের কোচ হতে পারে বলে আমার মনে হয় না।’ 

ব্রাজিলের না হলে তো আর্জেন্টিনায় হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। লিওনেল মেসি, সার্জিও আগুয়েরো, হ্যাভিয়ের মাসচেরানো... প্রিয় শিষ্যের সংখ্যাটা যে নেহায়েত কম নয় সেখানে! 

এদিকে ইউরোপীয় দল হিসেবে স্পেনও থাকবে এই তালিকায়। তার বার্সেলোনা-যুগ থেকেই তো ছন্দময় পাসিং ফুটবলে নিজেদের আধিপত্য দুনিয়াজুড়ে জাহির করেছিল স্প্যানিশরা। এবার খোদ তাকেই পাওয়ার সুযোগটাও হয়তো নেবে দলটি!

এনইউ/এটি