সিরাজগঞ্জে ‘ফুয়েল কার্ড’ ছাড়া পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি বন্ধের সিদ্ধান্ত কার্যকরের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আবেদনকারীদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। তবে ‘ফুয়েল কার্ড’র আবেদন করার নির্দিষ্ট সময় নেই। যে যখন খুশি, আবেদন করে কার্ড নিতে পারবেন বলে ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসন।
বিজ্ঞাপন
তবে ‘ফুয়েল কার্ড’ না থাকলে আগামীকাল বুধবার (১ মার্চ) থেকে জ্বালানি তেল পাওয়া যাবে না। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল থেকে ‘ফুয়েল কার্ড’ সংগ্রহের জন্য মোটরসাইকেল চালকসহ বিভিন্ন যানবাহনের মালিকদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আবেদন করতে দেখা যায়।
সোমবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যায় ঘোষণা আসায় ওইদিন আবেদন করা সম্ভব হয়নি অনেকের জন্য। ফলে পরদিন (৩১ মার্চ) সকাল থেকেই জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানুষের উপস্থিতি বেড়ে যায়।
তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মূল কপি দেখিয়ে এবং একটি ফটোকপি জমা দিলেই তাৎক্ষণিকভাবে ‘ফুয়েল কার্ড’ দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আবেদনকারীরা।
বিজ্ঞাপন
আবেদনকারীদের মধ্যে স্বস্তির চিত্র দেখা গেছে, কারণ যাচাই শেষে দ্রুত কার্ড হাতে পাওয়ায় জ্বালানি সংগ্রহ নিয়ে অনিশ্চয়তা কিছুটা কমেছে। তবে সময় স্বল্পতার কারণে অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং আবেদন করার সময় বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।
সিরাজগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী তানভীর আলম মুগ্ধ ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমি মূল কাগজপত্র সাথে নিয়ে গিয়েছিলাম। আর একসেট ফটোকপি জমা দিয়েছি। সবকিছু যাচাই করে সঙ্গে সঙ্গেই ‘ফুয়েল কার্ড’ দেওয়া হয়েছে।
‘ফুয়েল কার্ড’র জন্য অপেক্ষারত ব্যবসায়ী নূরে আলম ঢাকা পোস্টকে বলেন, সময় খুব কম পাওয়া গেছে। সময়সীমা কিছুটা বাড়ানো হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কম হতো।
বিজ্ঞাপন
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহসিন খন্দকার ঢাকা পোস্টকে বলেন, আসলে ‘ফুয়েল কার্ড’র আবেদন করার আজকেই শেষ সময়, এমনটি কিন্তু নয়। এটি নিয়ে অনেকের কনফিউশান রয়েছে। আসলে আগামী ১ এপ্রিল থেকে শুধু ‘ফুয়েল কার্ড’ ছাড়া জ্বালানি তেল দেওয়া হবে না। আজ যারা ‘ফুয়েল কার্ড’ হাতে পাবে, তারা জ্বালানি তেল নিতে পারবে। এটি চলমান প্রক্রিয়া, ‘ফুয়েল কার্ড’র আবেদন নেওয়া চলমান থাকবেই। যারা যেদিন আবেদন করবে, কার্ড পেলে তখন থেকেই জ্বালানি তেল নিতে পারবে।
নাজমুল হাসান/এসএইচএ
