বিজ্ঞাপন

গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় একাধিক গরমিল, যা জানা গেল

অ+
অ-
গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় একাধিক গরমিল, যা জানা গেল

গুচ্ছভুক্ত (জিএসটি) ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের ‘এ’ (বিজ্ঞান) ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল ও উপস্থিতিতে গরমিলের অভিযোগ উঠেছে। পরীক্ষা না দিয়েও ৫৩ জন শিক্ষার্থীকে উপস্থিতি, পাসের হার ৬৯.৬৭ শতাংশের পরিবর্তে ৬৯.৫০ দেখানোসহ নানা অভিযোগের বিষয়ে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

প্রকাশিত তথ্য মতে, মোট আবেদনকারী ছিলেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১৬২ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৯৩৮ জন, যা মোট আবেদনকারীর ৭৫.৭৯ শতাংশ। তবে আগের দিন প্রকাশিত তথ্যে উপস্থিতি ছিল ১ লাখ ২৫ হাজার ৮৮৫ জন (৭৫.৭৬ শতাংশ)। ফলে পরিসংখ্যানে ৫৩ জনের অমিল দেখা গেছে।

পাসের হারেও গরমিল লক্ষ্য করা যায়। ফলাফল অনুযায়ী, অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩০ নম্বর বা তার বেশি পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৩৮ হাজার ৮৮ জন, যা শতকরা ৩০.২৪ শতাংশ। কিন্তু কর্তৃপক্ষ পাসের হার ৩০ শতাংশ উল্লেখ করেছে। অন্যদিকে, ৩০ নম্বরের কম পেয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ৮৭ হাজার ৭৪০ জন। এ সংখ্যা শতকরা হিসাবে ৬৯.৬৭ শতাংশ হওয়ার কথা থাকলেও ৬৯.৫০ শতাংশ দেখানো হয়েছে।

এদিকে, গতদিনের হিসেব অনুযায়ী অনুপস্থিত ছিলেন ৪০ হাজার ২৭৭ জন (২৪.২৪ শতাংশ) শিক্ষার্থী। এবারের হিসেবে তা দেখানো হয়েছে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪০ হাজার ২২৪ জন শিক্ষার্থী। যেখানে আবার দেখানো হয়েছে ২৪.২০ শতাংশ। এছাড়া রোল নম্বর ও পরিচয়পত্র পূরণে ভুলের কারণে ১১০ জনের খাতা বাতিল করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, পরিক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন ঢাকার মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী তওকির সিদ্দিকী ইশতি। তিনি ৮৭ নম্বর পেয়ে শীর্ষস্থান অর্জন করেন। সর্বনিম্ন প্রাপ্ত নম্বর ছিল মাইনাস ১৪.২৫।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) ভর্তি পরীক্ষার কোর কমিটির সচিব ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এ বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে আমাদের কোনো গুচ্ছের সদস্য না থাকায় সেখানে হিসেবের গরমিল থাকতে পারে। তারা মৌখিক হিসেব দিয়েছে আমাদেরকে। আমরা পুনরায় যাচাই-বাছাই করে দেখছি।

বিজ্ঞাপন

আরকে