সরকারি উপবৃত্তিতে মেধাবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদেরও আবেদনের সুযোগ

সরকারের প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচির নিয়মাবলিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন থেকে সরকারি মেধাবৃত্তি পাওয়া দরিদ্র শিক্ষার্থীরাও উপবৃত্তির জন্য আবেদনের সুযোগ পাবেন।
যদিও এর আগে নিয়ম ছিল, অন্য কোনো সরকারি উৎস থেকে উপবৃত্তি বা শিক্ষাভাতা পেলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী এই কর্মসূচির আওতাভুক্ত হতে পারবে না।
সম্প্রতি ট্রাস্টের স্কিম পরিচালক (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ আসাদুল হকের সই করা এক স্মারকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
নিয়ম পরিবর্তনের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্যায়ে উপবৃত্তির আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই কমিটিও পুনর্গঠন করা হয়েছে। নতুন এই কমিটিতে প্রতিষ্ঠানের প্রধান সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সদস্য হিসেবে থাকবেন সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এবং প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির একজন অভিভাবক প্রতিনিধি। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট শ্রেণির শিক্ষক সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন। উল্লেখ্য, আগের কমিটিতে অভিভাবক প্রতিনিধি রাখার বিধান ছিল না।
সংশোধিত নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ ও নবম শ্রেণির (বিশেষ ক্ষেত্রে) এবং ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের একাদশ ও আলিম প্রথম বর্ষে নতুন ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ফরমে আবেদন সংগ্রহ করতে হবে। সংগৃহীত তথ্য এইচএসপি-এমআইএস সফটওয়্যারে এন্ট্রি করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আগামী ২২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করে পুনর্গঠিত কমিটির কাছে উপস্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিটি আবেদনপত্র যাচাই করবে এবং প্রয়োজনে শিক্ষার্থীর বাড়ি পরিদর্শন করে সুপারিশযোগ্য শিক্ষার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত করবে।
সংশোধিত আবেদন ফরম প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের ওয়েবসাইট এবং এইচএসপি-এমআইএস সফটওয়্যার থেকে ডাউনলোড করা যাবে।
আরএইচটি/বিআরইউ