এককালীন জরুরি আর্থিক সহায়তায় আপাতত বন্ধ অনলাইন আবেদন

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের আওতায় এককালীন জরুরি আর্থিক সহায়তার আবেদন প্রক্রিয়া আপাতত অনলাইনে বন্ধ করা হয়েছে।
আবেদন ফরম সংশোধনের কাজ চলমান থাকায় আগামীকাল (৫ ফেব্রুয়ারি) থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ম্যানুয়ালি বা সরাসরি ডাকযোগে আবেদন করতে হবে।
ট্রাস্টের উপবৃত্তি শাখা থেকে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এক অফিস আদেশে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক ও সমমান পর্যায়ের দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত, অসহায়, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জরুরি আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘ব্যবস্থাপনা পরিচালকের জরুরি তহবিল পরিচালন নির্দেশিকা, ২০২০’ অনুসারে এই সহায়তা দেওয়া হয়। আগে একটি নির্ধারিত ফরমে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হলেও বর্তমানে সেটি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই সংস্কার কাজের জন্যই আপাতত পুরোনো ফরমে অনলাইন আবেদন গ্রহণ কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে।
এই অবস্থায় জরুরি তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তা পেতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় তথ্যাদি উল্লেখ করে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আবেদন করতে বলা হয়েছে। আবেদনপত্র পাঠানোর ঠিকানা– ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট, বাড়ি নম্বর ৪৪, সড়ক নম্বর ১২/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৯।
নির্দেশনায় আরও জানানো হয়েছে, আবেদনের সঙ্গে শিক্ষার্থীর সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি, জন্মনিবন্ধন সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি (যদি থাকে), পূর্ববর্তী পরীক্ষায় ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর বা সমমানের জিপিএ ৩.০০ প্রাপ্তির নম্বরপত্র, পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে।
এ ছাড়া ব্যাংক হিসাবসংক্রান্ত তথ্য, দরিদ্রতার সনদ, চিকিৎসাপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে), এতিম বা প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী কিংবা অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে। সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের সন্তানদের ক্ষেত্রে অভিভাবকের বেতন গ্রেড সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র সংযুক্ত করা বাধ্যতামূলক।
ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংশোধিত আবেদন ফরম চূড়ান্ত হলে পরবর্তী নির্দেশনার মাধ্যমে নতুন করে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সবাইকে জানানো হবে।
আরএইচটি/বিআরইউ