ফেসবুকে প্রার্থীদের কার কত অনুসারী, সবচেয়ে বেশি কার

প্রতিদিন জাতীয় দৈনিকে অসংখ্য খবর প্রকাশিত হয়। এখানে আলোচিত কিছু খবরের সংকলন করা হলো।
প্রথম আলো
ফেসবুকে প্রার্থীদের কার কত অনুসারী, সবচেয়ে বেশি কার
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার এখন আর নতুন কিছু নয়। এটা অনেক ভোটারের সঙ্গে প্রার্থীর সহজে যোগাযোগের বড় একটি মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকে জনসভা, পথসভা ও মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে ভোট চাওয়ার পাশাপাশি ব্যাপক জোর দিচ্ছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় ফেসবুক। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নিজস্ব পেজ ও অ্যাকাউন্ট রয়েছে। কৌতূহলের বিষয় হলো, ফেসবুকে কার কত অনুসারী।
সমকাল
প্রশাসনিক সংস্কার ছাড়া নতুন পে স্কেল দুর্নীতি বাড়াবে
জনপ্রশাসন সংস্কার ও সরকারি সেবায় কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে নতুন পে স্কেল ঘুষ ও দুর্নীতির প্রিমিয়াম বৃদ্ধির অব্যর্থ হাতিয়ারে পরিণত হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সেই সঙ্গে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির উদ্যোগ যৌক্তিক হলেও এর অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা বহনের অর্থনৈতিক সক্ষমতা যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
কালের কণ্ঠ
বন্ধ ৩২৭ কারখানা, কর্মহীন দেড় লক্ষাধিক শ্রমিক
গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ীর নীলনগরে শতভাগ রপ্তানিমুখী মুকুল নিটওয়্যার লিমিটেড কারখানায় কাজ করতেন তিন হাজারের বেশি শ্রমিক। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও ক্রয়াদেশ সংকটে এই কারখানায় উৎপাদন কমতে থাকে। তার পরও ৬৭০ জন শ্রমিক নিয়ে তিলে তিলে গড়ে তোলা কারখানাটি চালু রেখেছিলেন এর প্রতিষ্ঠাতা মো. মইনুল ইসলাম মুকুল। শেষ পর্যন্ত আর রক্ষা হয়নি।
দেশ রূপান্তর
এক বিচারপতির হাতেই ২৯৬ ফাঁসির আসামি
প্যাংস অব ডেথ, বাংলায় যার অর্থ মৃত্যুযন্ত্রণা; ভেঙে বললে মৃত্যুর অপেক্ষায় থাকার সময়ের তীব্র মানসিক যন্ত্রণা। মৃত্যুদন্ডের সাজা মাথায় নিয়ে যে আসামিরা নির্জন কারা প্রকোষ্ঠে (কনডেম সেল) থাকেন, তাদের যন্ত্রণা বোঝাতে এ শব্দবন্ধ যথার্থ বলে মনে করেন আইন ও বিচার-বিশ্লেষকরা। ফৌজদারি আইন ও বিচারব্যবস্থায় সবচেয়ে স্পর্শকাতর মামলা হিসেবে বিবেচনা করা হয় ফাঁসির আসামির মামলাকে। ‘প্যাংস অব ডেথ’পর্যায়ে থাকা আসামিদের মামলার দ্রুত নিষ্পত্তিতে রাষ্ট্রের আন্তরিকতা কতটুকু সে প্রশ্ন ওঠে প্রায়ই।
কালের কণ্ঠ
মাদকাসক্তির শীর্ষে ঢাকা, সর্বনিম্নে বরিশাল
১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই দেশের মাদক ব্যবহারকারীদের ৬০ শতাংশের বেশি প্রথমবার মাদক গ্রহণ করে। মাদক গ্রহণ শুরুর পেছনে বড় ভূমিকা রাখে বন্ধুদের প্রভাব। বর্তমানে দেশে মাদকসেবীর সংখ্যা প্রায় ৮২ লাখ। দেশে মাদক সমস্যা নিয়ে এক জাতীয় গবেষণায় এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।
বণিক বার্তা
২০০৭-০৮-এর গুরুত্বপূর্ণরা আবারো বিতর্কিত প্রস্থান তৈরি করছেন কি?
দেশে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির রাজনৈতিক পালাবদল ‘এক-এগারো’ নামেই বেশি পরিচিত। সে সময় সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান ছিলেন ফখরুদ্দীন আহমদ। তার সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনা ও বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে তখন যেমন আলোচনা ও বিতর্ক ছিল, তেমনি এখনো তা অব্যাহত রয়েছে। কেননা তৎকালীন সাংবিধানিক, সামরিক ও বেসামরিক কাঠামোর প্রভাবশালী কয়েকজন বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়েও সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।
দেশ রূপান্তর
বেনাপোল দিয়ে ১২৫ টন বিস্ফোরক আমদানি
বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ১২৫ টন বিস্ফোরক আমদানি করা হয়েছে। গত শনিবার বিকেলে ভারতীয় ৮টি ট্রাকে করে বিস্ফোরক দ্রব্যের চালানটি বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করে। আমদানিকৃত পণ্য চালানটি অত্যন্ত বিপজ্জনক শ্রেণিভুক্ত হওয়ায় বন্দর এলাকায় বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
বণিক বার্তা
আদানির সঙ্গে চুক্তি বাতিলে পরবর্তী সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে
ভারতের আদানি পাওয়ারের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিতে অনিয়ম ও দুর্নীতির যে ধরনের তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে তা ওই চুক্তি বাতিলের জন্য যথেষ্ট বলে জানিয়েছে চুক্তি পর্যালোচনা সংক্রান্ত কমিটি। এ চুক্তি বাতিলে সিঙ্গাপুরের সালিশি আদালতে যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন তারা। তবে এমন সময় এ প্রতিবেদন জমা ও সুপারিশ করা হলো যখন অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ একেবারে শেষ পর্যায়ে। ফলে পর্যাপ্ত সময় না থাকায় আদানির সঙ্গে চুক্তি বাতিলে পরবর্তী সরকারকে উদ্যোগ নেয়ার পরামর্শ দিয়েছে কমিটি।
দেশ রূপান্তর
দেশে মাদকসেবীর সংখ্যা ৮২ লাখ
দেশে বর্তমানে আনুমানিক ৮২ লাখ মানুষ কোনো না কোনো ধরনের অবৈধ মাদক ব্যবহার করছে। যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ। অধিকাংশই তরুণ। প্রায় ৩৩ শতাংশ ৮-১৭ বছর বয়সে প্রথম মাদক সেবন করেছেন। ৫৯ শতাংশ প্রথম সেবন করেছেন ১৮-২৫ বছর বয়সে। সংখ্যার দিক থেকে বেশি মাদক সেবনকারী ঢাকায়; ঢাকা ২২ লাখ ৮৭ হাজার ৯৭০ জন। দ্বিতীয়, চট্টগ্রাম ১৮ লাখ ৭৯ হাজার ৫০৩ জন। তৃতীয়, রংপুরে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৫৮৮ জন। এরপর পর্যায়ক্রমে ময়মনসিংহ ৭ লাখ ৬০ হাজার ৮১২, খুলনা ৭ লাখ ২৬ হাজার ২১০, রাজশাহী ৫ লাখ ৬৬ হাজার ৫০৯, সিলেট ৪ লাখ ৮৮ হাজার ১৪১ ও বরিশালে ৪ লাখ ৪ হাজার ১১৮ জন। সব মিলেয়ে দেশ ৮১ লাখ ৯৪ হাজার ৬৫১ জন মাদক সেবন করে। এই গবেষণায় সিগারেটকে মাদক সেবন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
সমকাল
৮২ লাখ মানুষ মাদকসেবী চিকিৎসার বাইরে ৮৭%
দেশে এক বা একাধিক ধরনের মাদক ব্যবহার করছেন প্রায় ৮২ লাখ মানুষ, যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ। তবে এই বিপুল সংখ্যক মাদকসেবীর মধ্যে মাত্র ১৩ শতাংশ কোনো না কোনোভাবে চিকিৎসা বা পুনর্বাসন সেবার আওতায় এসেছে। বাকি ৮৭ শতাংশই রয়ে গেছে চিকিৎসার বাইরে।
এ তথ্য উঠে এসেছে একটি জাতীয় পর্যায়ের গবেষণায়। গতকাল রোববার রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) ‘বাংলাদেশে মাদক অপব্যবহারকারী ব্যক্তিদের সংখ্যা, ধরন ও সংশ্লিষ্ট কারণসমূহ’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
প্রথম আলো
আদানি বছরে ৫–৬ হাজার কোটি টাকা বাড়তি নিচ্ছে
বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিগুলো সংশোধন করা দরকার। যেসব চুক্তি বেশি রক্তক্ষরণ ঘটায়, সেগুলোর অস্ত্রোপচার দরকার। এর মধ্যে আদানির বিদ্যুৎ চুক্তি হচ্ছে সবচেয়ে খারাপ চুক্তি। তাই এটা দিয়ে শুরু করা যায়। এদের ধরতে পারলে অন্যদের সঙ্গে রাষ্ট্রের দর–কষাকষির ক্ষমতা বাড়বে।
গতকাল রোববার বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন মতামত তুলে ধরে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত চুক্তি পর্যালোচনা জাতীয় কমিটি। এই কমিটি বিগত সরকারের আমলে করা বিদ্যুৎ চুক্তিগুলো পর্যালোচনা করে ২০ জানুয়ারি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টার কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।
কালের কণ্ঠ
বাগযুদ্ধের পারদ চড়ছে
দরজায় কড়া নাড়ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সারা দেশে চলছে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর তুমুল প্রচারণা। দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, রাজনৈতিক নেতারা ততই বাগ্যুদ্ধে লিপ্ত হচ্ছেন। ভোটারদের নিজেদের পক্ষে ভেড়াতে নির্বাচনী প্রচারণার প্রথম দিন থেকেই প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো একে অপরের নীতি, কৌশল ও অতীত কর্মকাণ্ডকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে বৈতরণি পার হওয়ার চেষ্টা করছে।
সমকাল
শিক্ষাসামগ্রীর দাম বেড়েছে ৩০ শতাংশ
বছর ঘুরতেই বই, খাতা, কলম, পেন্সিল, স্কুল ব্যাগসহ শিক্ষাসামগ্রীর দাম বেড়েছে ৩০ শতাংশের বেশি। গত বছরের প্রথম দিকে যেসব মাঝারি মানের পেন্সিল ডজন ৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, এবার তা কিনতে লাগছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা। সাধারণ মানের ৫০০ টাকার একটি স্কুল ব্যাগ কিনতে এবার গুনতে হচ্ছে ৮০০ টাকার ওপরে। বইয়ের দামও পড়ছে আগের চেয়ে বেশি। সন্তানের জন্য শিক্ষাসামগ্রী কিনতে গিয়ে বাড়তি চাপে পড়ছেন অভিভাবকরা। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ ঝরে পড়ার আশঙ্কা করছেন বিশিষ্টজন।
আজকের পত্রিকা
সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তি না মেলার দায় কার, বাগেরহাটের ডিসি কি অপরাধ করেছেন
স্ত্রী ও শিশুসন্তানের মৃত্যুর পর যশোর কারাগারে থাকা বাগেরহাটের ছাত্রলীগ (নিষিদ্ধঘোষিত) সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির জন্য বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) গোলাম মো. বাতেনের কাছে আবেদন নিয়ে গিয়েছিলেন তাঁর স্বজনেরা। কিন্তু জেলা প্রশাসক আবেদনটি গ্রহণ না করে তাঁদের যশোরে যেতে পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু যশোর কারা কর্তৃপক্ষ লাশ জেলগেটে দেখাতে রাজি হয়।
কালের কণ্ঠ
নির্বাচনে এআই আতঙ্ক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতিতে এক নতুন আপদ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে এখন এআই দিয়ে তৈরি ডিপফেক ভিডিও, বিকৃত ছবি ও ভুয়া অডিও ক্লিপের ছড়াছড়ি। নির্বাচন শেষ হওয়ার আগেই এটি নিয়ন্ত্রণে আসবে, তেমন সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে না; বরং বৃদ্ধির আশঙ্কাই বেশি।
আজকের পত্রিকা
পোস্টারবিহীন নির্বাচনে প্রচারের ধরনে বদল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জমজমাট প্রচার শুরু হলেও অধিকাংশ ছাপাখানায় নেই কর্মচাঞ্চল্য। কারণ, এবারই প্রথম নির্বাচনী আচরণবিধিতে পোস্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফলে বদলে গেছে প্রচারের ধরনও। ব্যানার, ডিজিটাল ব্যানার, লিফলেট, হ্যান্ডবিল, স্টিকার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমই হয়ে উঠেছে প্রার্থীদের প্রচারের ভরসা।
কালবেলা
লুটের স্বর্গ সরকারি হাসপাতাল
সরকারি হাসপাতাল—যেখানে মানুষ আসে জীবন বাঁচাতে, সেখানে পা রেখেই অনেককে নামতে হয় আরেক যুদ্ধের ময়দানে। চিকিৎসার বদলে অবহেলা, সেবার বদলে হয়রানি, আর জনগণের টাকায় চলে নির্লজ্জ লুটপাট। এখানে রোগী কেবল ভুক্তভোগী আর দুর্নীতিই যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একের পর এক অভিযানে ধীরে ধীরে উন্মোচিত হচ্ছে দেশের সরকারি স্বাস্থ্য খাতের ভয়াবহ, অমানবিক ও নৈরাজ্যকর এ চিত্র। এ তথ্য বলছে, সরকারি হাসপাতাল পরিণত হয়েছে এক লুটের স্বর্গে, যেখানে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে থাকা রোগীর ভাগ্যে জোটে না সুষম খাবার, অথচ কাগজে-কলমে বিল ওঠে পূর্ণমাত্রায়। দায়িত্বে থাকার কথা যাদের, সেই চিকিৎসক ও নার্সদের অনেকেই থাকেন অনুপস্থিত। চিকিৎসকের পরিবর্তে রোগী দেখেন টেকনোলজিস্ট বা মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট। সরকারি ওষুধ বাইরে বিক্রি হয়, মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট দিয়ে করা হয় পরীক্ষা, অকেজো যন্ত্রপাতি দিয়েই চলে চিকিৎসা কার্যক্রম।
যুগান্তর
ভোটের ব্যয় ৩ হাজার কোটি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করতে সরকারের ব্যয়ের অঙ্ক ছুঁয়েছে ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা। যার এক-তৃতীয়াংশ জোগান দেওয়া হবে চলতি বাজেটের ‘অপ্রত্যাশিত’ খাত থেকে। জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই সঙ্গে হওয়ায় বাজেটে যে বরাদ্দ রাখা ছিল, সে তুলনায় আরও অর্থের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। ফলে অতিরিক্ত অর্থের চাহিদা মেটাতে অপ্রত্যাশিত খাতে রাখা ৪ হাজার কোটি টাকা থেকে ১ হাজার ৭০ কোটি টাকা জোগান দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।
বিবিসি বাংলা
গণভোটে 'হ্যাঁ' জিতলে সংবিধানে যা যা বদলে যাবে, নতুন যুক্ত হবে যেসব বিষয়
আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনেই জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। এইদিন আলাদা ব্যালটে ভোটাররা যে গণভোটে ভোট দিবেন সেখানে সুনির্দিষ্ট করে খুব অল্প করে মাত্র চারটি বিষয় লেখা থাকবে। এই সনদ বাস্তবায়নে ভোটারদের সমর্থন আছে কী-না, সেই প্রশ্নে 'হ্যাঁ' অথবা 'না' ভোট দিবেন ভোটাররা।
গত বেশ কয়েকদিন ধরে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে সারাদেশে গণভোট নিয়ে প্রচারণা শুরু করে সরকার। প্রথমে সরকারের পক্ষ থেকে শুধুমাত্র গণভোট নিয়ে নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে প্রচারণা শুরু করে। পরে অবশ্য সেই অবস্থা থেকে সরে এসে সরাসরি গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোটের প্রচারণা শুরু করে।
